প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামীকাল শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হতে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কর্মী সমর্থকরা। তবে তাদের আটকাতে ইতিমধ্যে দিল্লিগামী ৬১টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। আজ থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মেট্রো চলাচল। যদিও এ নিয়ে আদালত আপত্তি জানিয়েছে।
অপরদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৩ হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে।
কাল দিল্লিতে সহিংসতা হতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন সেখানকার পুলিশ কর্মকর্তারা। এক শীর্ষ কর্মকর্তা তার বাহিনীর সদস্যদের ‘ঝড়ের’ জন্য প্রস্তুত হতে বলেছেন, তবে সঙ্গে আবার সহনশীল হওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।
জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার (সেন্ট্রাল রেঞ্জ) মধুর ভর্মা মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এ নিয়ে লিখেছেন, “ঝড়ের জন্য প্রস্তুত হোন, সহনশীল হোন, নিরাপত্তা রক্ষা করুন। কারণ পুলিশের সত্যিকারের শক্তি শুধুমাত্র মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, পুলিশের শক্তি শৃঙ্খলা, সম্মান এবং কম শক্তি প্রয়োগের মধ্যেও আছে।”
ভোটার তালিকা থেকে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাইছে ককরোচ পার্টি ও দেশটির বিরোধী দলগুলো। তারা বলছে, জ্ঞানেশ কুমার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজ্ঞাবহ ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। তাকে সরকারের পক্ষ থেকে যা করতে বলা হয় তিনি তাই করেন। তাই তার অধীনে আর কোনো সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যে এটির সবচেয়ে বড় প্রভাব দেখা গিয়েছিল। সেখানে রাজ্যসভার নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসে। নির্বাচনের পরই আবার সেসব মানুষকে ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়। যে ৭০ লাখ মানুষকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটি নির্বাচনে বড় প্রভাব রেখেছে বলে ধারণা করা হয়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া