Jahirul Hasan
প্রকাশ : Jul 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইনফান্তিনোর ‘সময় ফুরিয়ে এসেছে’ : লা লিগা প্রধান


বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকে শেষ পর্যন্ত জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ছিলেন সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। অবশ্য ওসব ‘তিক্ত কথাবার্তা’ কানে না নিয়ে নিজের মতো করে পথ হেঁটেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। লা লিগার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের তেবাসের মতে, বিশ্ব ফুটবল সংস্থার প্রধানের ‘সময় ফুরিয়ে এসেছে’।

ইনফান্তিনোকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন স্প্যানিশ শীর্ষ লিগের সর্বোচ্চ পদে থাকা তেবাস। ইতালিয়ান সংবাদপত্র লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ত-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফুটবল শিল্পকে ধ্বংস করছে ফিফা।

বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক, ফাইনালের দীর্ঘ হাফটাইম বিরতি, যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড স্থগিত এবং সম্ভাব্য ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন তিনি।


ইনফান্তিনোর কি পদত্যাগ করা উচিত, তেবাস বলেছেন, ‘আমার মতে, হ্যাঁ, আমি মনে করি তার সময় ফুরিয়ে এসেছে।’
তেবাসের মতে, জাতীয় ফেডারেশনগুলোর সমর্থন আছে ইনফান্তিনোর দিকে। তার দাবি, ফিফার নির্বাচন ব্যবস্থা ‘গোড়াতেই পঁচে গেছে।’

তেবাস বললেন, ‘তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই। শুধু হেরে যাওয়ার জন্য কেউ দাঁড়াতে চায় না। তার থাকা উচিত নয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সে চলেও যাবে না।’

বিশ্বকাপে তেবাস তার দেশের ফাইনাল জয়ের দিনে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় এই গত কয়েকদিনে আমি ইনফান্তিনোর বিরোধী এবং তার কাজের সঙ্গে দ্বিমত পোষণকারী অনেকের কথা শুনেছি। তারা মুখে একথা বলে, কিন্তু তারপর কিছুই করে না। আমি জানি না কোনটা বেশি খারাপ, এই নীরবতা নাকি এই নীরব সম্মতি, কারণ যারা চুপ থাকে তারা ফুটবলের যে ক্ষতি হচ্ছে সে সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত।’

ফিফার মার্চের কংগ্রেসে ইনফান্তিনো চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে তেবাস বিশ্বাস করেন, বালোগানের লাল কার্ড স্থগিতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হতে পারে।

তিনি বললেন, ‘আমেরিকান খেলোয়াড়ের শাস্তি তুলে নেওয়া ভীষণ গুরুতর। তারা ভাগ্যবান যে বেলজিয়াম যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করেছে। কারণ অন্য কিছু হলে ইনফান্তিনোকে চাকরি হারিয়ে হয়তো মাশুল গুনতে হতো। বেলজিয়াম জেতার পর বিষয়টিকে তারা ধামাচাপা দিতে পেরেছে। কিন্তু এসব তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র।’

৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ইনফান্তিনো। তেবাস বললেন, ‘জাতীয় দলের সংখ্যা বাড়ানোর কোনো মানে নেই। ফুটবল শিল্প কেবল বিশ্বকাপ নয়। এই জাতীয় প্রতিযোগিতাগুলোই খেলাটিকে টিকিয়ে রাখে। মাত্র ৪০ দিন স্থায়ী এবং মুষ্টিমেয় কিছু খেলোয়াড়কে নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের জন্য তারা ফুটবল শিল্পকে ধ্বংস করছে, যে শিল্প হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।’

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুই সপ্তাহে তিন মার্কিন সেনা নিহত, আহত ১০০

1

কানাডার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপালেন ট্রাম্প

2

বেনজীরের ব্যাপারে ৪ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইল দুবাই পুলিশ

3

প্লাস্টিক ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফি! কুকুরেয়ার কাণ্ডে তোলপাড়

4

হজে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহালের অনুরোধ ধর্ম

5

দক্ষিণ লেবাননে ‘পাইলট জোন’ চালুর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

6

ফাইনাল ম্যাচ শেষে হাতাহাতি, তদন্ত করবে ফিফা

7

বিশ্বকাপ জয়ে বাঁধভাঙা উল্লাস, ভূমিকম্পের মতো ‘কম্পন’ অনুভূত

8

শুধু গ্যালারিতে নয়, স্পেনের বিশ্বজয়ের কম্পন ছড়াল মাটির নিচেও

9

কী কারণে আর্জেন্টিনার কোচিং ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন স্কালোনি

10

সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউএফপি'র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সা

11

সৌদির পণ্য রপ্তানিতে ইয়েমেনি গোষ্ঠীর নিষেধাজ্ঞা, বাড়ছে তেলের

12

কুয়েতের বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে হামলা ইরানে

13

ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের নতুন প্রধানের নাম ঘোষণা

14

বিজিবিকে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বা

15

বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপ, সংস্কারের পর আবার আজান হলো মসজিদে

16

ভারতের সিকিমে নির্মাণাধীন টানেলে ভূমিধস, নিহত ৯

17

ধর্ষণ মামলায় ভারতীয় ক্রিকেটারকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

18

অমিতাভ বললেন, ‘প্রত্যেক চ্যাম্পিয়নের জীবনেই এমন দিন আসে’

19

পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যো

20