আন্তর্জাতিক বিরতিতে যখন ইউরোপিয়ান ফুটবলে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হয়, তখন আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের মতো পরাশক্তিরা প্রীতি ম্যাচ খেলে দুর্বল দলগুলোর বিপক্ষে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বেশিরভাগ সময়। বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে ৭-০ গোলে জয়ের পরও এনিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হলো কোচ লিওনেল স্কালোনিকে।
২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে আর্জেন্টিনা ১৮টি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। পানামা, কুরাসাও, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, এল সালভাদর, কোস্টারিকা, ইকুয়েডর, গুয়াতেমালা, ভেনেজুয়েলা, পুয়ের্তো রিকো, অ্যাঙ্গোলা, মৌরিতানিয়া, জাম্বিয়া, আইসল্যান্ড, বলিভিয়ার পর সবশেষ বুরকিনা ফাসোর সঙ্গে খেলল তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। স্কালোনি স্বীকার করেছেন আরও কঠিন ও বড় প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে পারলে তার ভালো লাগত। কিন্তু বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিডিউলে এই ধরনের ম্যাচের আয়োজন করা কতটা কঠিন তাও তিনি মেনে নিয়েছেন।
স্কালোনি বলেন, ‘আমাদের কাছে খুব বেশি বিকল্প নেই। খালি থাকা দল খুব কম। বিষয় এমন নয় যে আমরা চাইলেই বেছে নিতে পারি; সবকিছুই ইতোমধ্যে নির্ধারিত হয়ে থাকে। অবশ্যই আমরা দেশের বাইরে খেলতে যাব। যৌক্তিকভাবেই আমি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে চাইতাম, কিন্তু বেশি বিকল্প নেই।’
প্রতিপক্ষ কতটা শক্তিশালী বা দুর্বল, তার ওপর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মানদণ্ড নির্ভর করে না মনে করেন স্কালোনি, ‘এই ধরণের শক্তিশালী দলগুলোর মুখোমুখি না হয়েই আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছি। বিশ্বকাপে আমরা সবচেয়ে বেশি যে ম্যাচে ভুগেছিলাম, সেটি ছিল তাত্ত্বিকভাবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল এক দলের (কেপ ভার্দে) বিরুদ্ধে; সুতরাং এটি আপেক্ষিক বিষয়।’ এই ধরনের ম্যাচ থেকেও শেখার ব্যাপার আছে বললেন তিনি, ‘এসব ম্যাচ থেকেও আমরা সবসময় নতুন শিক্ষা নিই। খেলোয়াড়রা কীভাবে ম্যাচটিকে দেখছে তা লক্ষ্য করতে হবে। দলটিকে কোনোভাবেই সহজ মনে হয়নি এবং এসব ম্যাচে আমাদের হারানোর মতো অনেক কিছু থাকে।’