২০১৮ সালে বার্সেলোনায় যোগ দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের সহজাত ছন্দ হারিয়েছেন ফেলিপে কৌতিনিয়ো। অথচ এর আগে লিভারপুলের হয়ে ধারাবাহিক ফর্মে ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। পরে জাতীয় দলেও জায়গা হারান কৌতিনিয়ো। তার শৈশব কেটেছিল ব্রাজিলের ক্লাব ভাস্কো দা গামায়, বিপরীতে বন্ধু নেইমার জুনিয়র খেলতেন রাইভাল ক্লাব সান্তোসে। এবার তাদের উভয়কে সেই ক্লাবের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে।
ব্রাসিলেইরাও-তে কঠিন সময় পার করা সান্তোস দল শক্তিশালী করতে লিভারপুল ও বার্সেলোনার সাবেক এই প্লে-মেকারকে ফ্রি-এজেন্ট হিসেবে নিয়েছে। দীর্ঘদিনের বন্ধু নেইমার যখন গুরুতর চোটের কারণে আবারও মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন, ঠিক তখনই অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার ভিলা বেলমিরোয় যোগ দিলেন। ফলে বন্ধু মাঠে ফেরার আগেই হয়তো সান্তোসের জার্সি গায়ে জড়াতে হবে কৌতিনিয়োকে।
৩৪ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারে ভর করে নিজেদের দুর্দশা কাটাতে চায় সান্তোস। গত মৌসুমে তাদের রেলিগেশন থেকে উদ্ধারে চোট নিয়েও খেলেছিলেন নেইমার, তাতে সফলও হয়েছেন। এবারের ব্রাজিলেইরাও-তে ২৫ ম্যাচে ৮টি করে জয় ও ড্রয়ের পর তাদের অবস্থান ১৩তম।
চমকপ্রদ এই দলবদলের মূল কারণ ছিল নেইমারকে ঘিরে আসা এক দুর্ভাগ্যজনক খবর। প্যারিস সেন্ট-জার্মেই ও বার্সেলোনার সাবেক এই সুপারস্টার ক্লাবকে তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সান্তোসে ফিরেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তার ডান উরুর ‘রেকটাস ফেমোরিস’ পেশিতে ‘গ্রেড ২বি’ পর্যায়ের চোট পেয়ে বড় সময়ের জন্য ছিটকে গেছেন নেইমার। ফলে শীর্ষ স্তরের প্রতিযোগিতায় দলের সক্ষমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সান্তোস দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে তার শৈশবের বন্ধু কৌতিনিয়োকে নিয়েছে।
দলবদল বিষয়ক প্রখ্যাত ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো নিশ্চিত করেছেন, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।