ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। রাশিয়ার দ্রুতগতির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে তাদের আধুনিক অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসছে। তাই বাধ্য হয়ে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী ১৯৭০-এর দশকের পুরোনো অস্ত্রের দিকে ঝুঁকছে।
২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর সময় ‘আর-৬০’ নামের ক্ষেপণাস্ত্রটি বেশ পুরোনো বলে ধরা হতো। তবে ইউরো মাইদান প্রেসের তথ্যমতে, আধুনিক অস্ত্রের অভাবে ইউক্রেনের মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানগুলো এখন বাধ্য হয়ে এটিই ব্যবহার করছে।
সম্প্রতি রাশিয়া অনেক দ্রুতগতির ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে। গেরান-৩ বা গেরান-৫ নামের এসব ড্রোন ঘণ্টায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে। ফলে মাটি থেকে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এদের ধ্বংস করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে।
আকাশপথে এদের আটকাতে ইউক্রেন পশ্চিমা এফ-১৬ এবং পুরোনো মিগ-২৯ বিমান কাজে লাগাচ্ছে। আগে মিগ-২৯ বিমানে ‘আর-৭৩’ নামের অপেক্ষাকৃত উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হতো। কিন্তু মজুত কমে যাওয়ায় পুরোনো ‘আর-৬০’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মিগ-২৯ থেকে এই পুরোনো অস্ত্র ছুড়েই রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে।
অত্যাধুনিক এফ-১৬ বিমানের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের অভাবে অনেক পাইলট কেবল বিমানের নিজস্ব বন্দুক নিয়েই আকাশে উড়াল দিচ্ছেন।
এদিকে রাশিয়ার ড্রোন হামলার পরিমাণ বেড়েই চলেছে। আগস্ট মাসে ইউক্রেনে প্রায় আড়াই হাজার দ্রুতগতির ড্রোন পাঠিয়েছে মস্কো। উন্নত অস্ত্রের অভাবে ইউক্রেন এসব ড্রোন আগের মতো ধ্বংস করতে পারছে না।