Jahirul Hasan
প্রকাশ : Sep 6, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখাই আমাদের উদ্দেশ্য

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ব‌লে‌ছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখা, মানবিক সহায়তা জোরদার করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি প্রত্যাবাসনের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর)  রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে ইন্সটিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ ও সমধানের কৌশল নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়, প্রকৃত প্রত্যাবাসনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা যাচাইকরণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। তবে যাচাইকরণ প্রক্রিয়া কোনোভাবেই একটি অন্তহীন প্রশাসনিক কাজ হতে পারে না। বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে আমাদের যাচাইকরণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে, পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে রাখাইন রাজ্য থেকে আসা মানুষ এবং ক্যাম্পে জন্মগ্রহণকারীদের বাস্তব পরিস্থিতিও বিবেচনায় নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,  রোহিঙ্গাদের  মানবিক দিকটির বিষয়েও আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। বাংলাদেশ তার মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাবে, কিন্তু আন্তর্জাতিক তহবিল হ্রাসের কারণে এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। আমরা আমাদের দাতা ও অংশীদারদের এই বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবন রক্ষার্থে তাদের প্রচেষ্টা বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের জন্য আরেকটি কৌশলগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের সহায়তার মানবিক চরিত্র বজায় রাখার পাশাপাশি এটিও নিশ্চিত করতে হবে যেন ক্যাম্পে প্রদত্ত সহায়তা অনিচ্ছাকৃতভাবে আরও বাস্তুচ্যুতির কারণ না হয় এবং সম্ভাব্য প্রত্যাবাসন পরিস্থিতিকে জটিল করে না তোলে।

প্রতিমন্ত্রী আরও ব‌লেন, যে–কোনো টেকসই প্রত্যাবাসন রাখাইন রাজ্যের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভর করে। সেখানে আমাদের উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন, নিরাপত্তা প্রয়োজন, পরিচয় ও অধিকারের প্রতি সম্মান প্রয়োজন। সেখানে রোহিঙ্গাদের আইনগত স্বীকৃতি প্রয়োজন। সেখানে চলাফেরার স্বাধীনতা,  জীবিকা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ প্রয়োজন।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের এই আস্থা অর্জন করা প্রয়োজন যে, ফিরে যাওয়ার ফলে নতুন করে আর বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটবে না।  এ লক্ষ্যে আমাদের সংলাপ প্রয়োজন। আর এখানেই আমরা আরও জোরালো আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা চাই।

শামা ওবায়েদ জানান, জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে  রোহিঙ্গা বিষয়ক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমাদের  প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণ করবেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, দৃঢ় কূটনীতি, শক্তিশালী জাতীয় সমন্বয় এবং অব্যাহত আন্তর্জাতিক সহায়তার মাধ্যমে আমরা আবারও প্রত্যাবাসনের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবো।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির

1

সংসদীয় দায়িত্ব বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব

2

ব্যবসায়িক মূল্যে নতুন উচ্চতায় আইপিএল

3

বিশ্বকাপ শেষে জুভেন্টাসের নজরে দিবু মার্তিনেজ

4

৫ বছর পর টেস্ট দলে ফিরলেন সৌম্য সরকার

5

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত

6

দুই পথে হাঁটেন তারা, তবুও তাদের রোজই দেখা হয়!

7

৬ মাসের আরহামকে বাঁচাতে লিভার দিতে প্রস্তুত মা, চিকিৎসায় প্র

8

সাংবাদিক মাহাবুব আলম বাবুর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিত

9

ফের দিল্লিতে আন্দোলনে নামার ঘোষণা তেলাপোকা পার্টির

10

বিশ্বকাপসহ ফিফার সব প্রতিযোগিতা বয়কটের সিদ্ধান্ত উয়েফার

11

নারী সংকটে চীন, বিয়ে করতে গিয়ে প্রতারণার ফাঁদে পুরুষ

12

জুলাই ব্যর্থ হলে ‘শেখরাজ্য’ প্রতিষ্ঠা হতো বাংলাদেশে : মঞ্জু

13

মাঠ নিয়ে নেইমারের ক্ষোভ, পালমেইরাসের খোঁচা ‘ভালো মাঠ বানান’

14

অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্

15

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী

16

বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে ৩৬ বাংলাদেশিসহ ৯৬ অভিবাসনপ্রত্যা

17

অভিনয়ে সফল, তবু যে আক্ষেপ কারিনার

18

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ে বাধ্য করতে যেভাবে চাপ বাড়াচ্ছে ইরান

19

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রাশেদ খা

20