বাংলাদেশ জাতীয় দলে হামজা চৌধুরীর মতো ফুটবলারদের খেলা অনুপ্রাণিত করেছে প্রবাসী ফুটবলার এডাম আব্বাসকে। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার স্বপ্ন দেখেছেন অনূর্ধ্ব-২০ দলের এই নতুন মুখ।
রবিবার যশোরের শামসুল হুদা ফুটবল একাডেমিতে দলের আবাসিক ক্যাম্পে অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এডাম। সেখানে নিজের অনুভূতি, দলের প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার অনুভূতি জানাতে গিয়ে এডাম আব্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশের হয়ে ফুটবল মাঠে নামতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। জাতীয় দল, সহকারী কোচিং স্টাফ এবং টেকনিক্যাল টিম যেভাবে কঠোর পরিশ্রম করছে, তা প্রশংসনীয়।’
বাংলাদেশের হয়ে খেলার অনুপ্রেরণার বিষয়ে এডাম বলেন, হামজা চৌধুরীর মতোফুটবলারদের জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দেখেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপসহ বড় মঞ্চে ভালো করাই দলের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি। সতীর্থদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া রয়েছে উল্লেখ করে এডাম বলেন, সবাই যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে জাতীয় দল ভবিষ্যতে দেশকে বড় সাফল্য এনে দিতে পারবে।
অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্সও দলের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদী। দীর্ঘ সময়ের অনুশীলনে খেলোয়াড়দের সক্ষমতা ও মান ভালোভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
কোচ বলেন, শুধু আসন্ন প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে নয়, ভবিষ্যতে অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর প্রস্তুতিকেও পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলটি চারটির বেশি অনুশীলন ম্যাচ খেলেছে। প্রতিটি ম্যাচ থেকেই খেলোয়াড়েরা শারীরিক সক্ষমতা, কৌশলগত অবস্থান এবং চাপের মধ্যে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে বলে জানান জোন্স।
দলে নতুন যোগ দেওয়া এডাম আব্বাসকে নিয়েও আশাবাদী কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্স। তাঁর ভাষায়, এডাম অত্যন্ত পেশাদার, বিনয়ী এবং শেখার মানসিকতাসম্পন্ন একজন ফুটবলার।
তাঁকে আরও দক্ষ খেলোয়াড় ও কার্যকর গোলদাতা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান কোচ।