জাগোকন্ঠ ২ জানুয়ারি ২০২৩ , ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রথম বিয়ের কথা গোপন রেখেই দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার সাইদুল ইসলাম। সংসার শুরুর পর দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানা আফরিন তুলি তা জেনে যান। পরে বনিবনা না হওয়ায় গত বছর সেপ্টেম্বরে সংসার ভেঙে যায়। এরপর আবার তুলির সঙ্গে সংসার শুরুর চিন্তা করেন তিনি। তবে এরইমধ্যে তুলির চরিত্র নিয়ে তার মধ্যে সন্দেহ ঢোকে। সিদ্ধান্ত নেন, যদি সন্দেহের সত্যতা পান তাহলে তুলিকে ‘শাস্তি’ দেবেন। আর ভুল প্রমাণিত হলে বিয়ে করবেন। এ অবস্থার মধ্যেই রোববার রাজধানীর মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেনে দুজন সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তুলিকে গলা কেটে হত্যা করেন সাইদুল। এ ঘটনায় শাহ আলী থানা পুলিশ সাইদুলকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় জানিয়েছে, তুলির গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। বাবা-মায়ের সঙ্গে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকতেন। বিচ্ছেদ হলেও তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। সাইদুল থাকেন চৌগাছায়। সেখানে দিনমজুরের কাজ করেন। শনিবার তিনি গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় আসেন ফারজানার সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে। বিকাল ৪টার দিকে তারা বোটানিক্যাল গার্ডেনে যান। এসময় তুলির কাছে কয়েকটি কল এলে এ নিয়ে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। একপর্যায়ে বিকাল ৫টার দিকে সাইদুল ছুরি দিয়ে গলা কেটে ফারাজানাকে হত্যা করে। এরপর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, সাইদুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তুলিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। সন্ধ্যায় তার লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।















