Jahirul Hasan
প্রকাশ : Sep 17, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় নিহত স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) এসআই (নিরস্ত্র) মো. আলতাফ হোসেনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে নিহতের পরিবার সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার সর্বাত্মক আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী জানান, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সার্বিক কল্যাণে ইতোমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে ৬ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখার সুবিধার্থে ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, কর্মজীবনে আলতাফ হোসেনের নৈতিকতা ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর ‘পুলিশ পদক (পিপিএম)’ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রী এ সময় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীনের হাতে অনুদানের টাকা তুলে দেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় একটি অটো রিকশা রাখা নিয়ে সৃষ্ট তর্ক-বিতর্ক মেটাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার মুখে পড়েন এসআই আলতাফ হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার বড় ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে সেখানে বর্বর হামলা চালায়। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আলতাফ হোসেন ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে কনস্টেবল পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনে তিনি ডিএমপি, রাঙ্গামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশাল জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সাল থেকে মৃত্যু অবধি তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (৩০) মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন ফার্মেসি সম্পন্ন করেছেন। ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (২৪) ইউসেপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সব কিছু জিততে চাই, বার্সেলোনায় পা রেখেই বললেন রদ্রি

1

৯/১১ হামলার সঙ্গে ইরান যুদ্ধের যোগসূত্র টানলেন ট্রাম্প

2

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

3

আরব উপসাগরে কাতারের গ্যাসবাহী ট্যাংকারে হামলা

4

বাংলাদেশ আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে: স্মিথ

5

মঈন খান হাসপাতালে ভর্তি, দেখতে গেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাস

6

যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়ে

7

ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত

8

থিয়াগো সিলভার সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন ব্রাজিল কোচ

9

কোথাও কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে সেগুলো নিরসন হয়ে যাবে : ধর্ম

10

ইয়েমেনের রাজধানীতে ব্যাপক বিমান হামলা চালাতে যাচ্ছে সৌদি

11

হুথিদের ওপর হামলার জন্য ট্রাম্পকে দুবার ফোন, সৌদি যুবরাজকে য

12

এবার সংবাদ সম্মেলনে মুখ খুললেন স্বয়ং জেমস

13

মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তার জন্য মাওলানা তারিক জামিলের দোয়া

14

হজের নিবন্ধন সুষ্ঠুভাবে করতে সৌদির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছ

15

আবারও পেছাল সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের

16

সৌদি আরবের সব বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় সর্বোচ্চ সর্তক থা

17

সৌদি উপকূলে ট্যাংকার জাহাজে হামলা

18

ইতালী প্রবাসী নুরুল হুদাকে "৪ কোটি টাকার" বীমা দাবি পরিশোধ ক

19

অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি, প্রস্তুতি নিচ্ছে এএফএ

20