সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে দেশের মাটিতে কাছাকাছি শক্তির কোনো দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশ ফুটবল দলের। তবে এরই মধ্যে আসিয়ান কাপ খেলার আমন্ত্রণ পাওয়ায় সেই পরিকল্পনায় এসেছে পরিবর্তনের সম্ভাবনা। কোচ থমাস ডুলি আসিয়ান কাপে খেলার পক্ষেই মত দিয়েছেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনার পর ডুলি জানিয়েছেন, আসিয়ান কাপে খেলার সুযোগ তৈরি হলে তা বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে। তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।
ডুলি বলেন, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এটি হলে ভালো হবে এবং বাংলাদেশ সেখানে খেলতে পারে। বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। ফিফা ও ইন্দোনেশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তবে ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেনি।
আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তার আগে আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দলের বিপক্ষে খেলাকে সাফের প্রস্তুতির জন্য কার্যকর মনে করছেন ডুলি।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য অবস্থান নিয়ে ডুলি বলেন, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ আন্ডারডগ হিসেবে খেলবে। ফলে প্রত্যাশার চাপ তুলনামূলক কম থাকবে। তবে ফলাফল নেতিবাচক হলে সেটি খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর শুরু হবে ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডো। এর আগে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ও সূচি চূড়ান্ত না হওয়ায় জাতীয় দলের পরিকল্পনা করতে সমস্যায় পড়ছেন কোচ। আসিয়ান কাপ, দেশের মাটিতে ম্যাচ নাকি কিরগিজস্তানের টুর্নামেন্ট কোন পথে এগোবে বাংলাদেশ, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।
শুধু জাতীয় দলের সূচি নয়, ঘরোয়া ফুটবলের অনিশ্চয়তাও ভাবাচ্ছে ডুলিকে। ২৮ আগস্ট লিগ শুরুর কথা থাকলেও এখনো তা নিশ্চিত হয়নি। তাঁর মতে, সাধারণত লিগ শুরুর চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে খেলোয়াড়দের কন্ডিশনিং অনুশীলন প্রয়োজন। কিন্তু অনেক ক্লাব সেই প্রস্তুতি নিতে পারেনি।
ডুলি জানান, বাংলাদেশের ফুটবলাররা ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ অনুশীলনের বাইরে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় দলের ক্যাম্প কবে শুরু করা হবে, তা নিয়ে এখনই পরিকল্পনা করা কঠিন।