জাগো কন্ঠ ৩১ আগস্ট ২০২৫ , ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
প্রধান প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া) আসনের ভোটারদের দৃষ্টি এখন নতুন ও সাহসী নেতৃত্বের দিকে। দেশব্যাপী তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিবর্তনের আগ্রহ এবং দায়িত্ববোধের জোরালো দাবি তৈরি হয়েছে, আর বিএনপি সেই দাবিকে সুনির্দিষ্ট করে তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বহন করছে। কিশোরগঞ্জ-২ আসনের ভোটাররাও সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন।
স্থানীয় জনগণ বিশেষ করে কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া এলাকার মানুষরা খুঁজছেন এমন একজন নেতা, যিনি শুধু রাজনীতিতে সক্রিয় নন, বরং জনকল্যাণমুখী চিন্তাধারা, সাহসী পদক্ষেপ এবং আপোষহীন নীতি দিয়ে পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে পারবেন। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী মাঠে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট, কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার বনগ্রাম ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সন্তান, আশরাফ জালাল খান মনন।
তিনি শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নয়, বরং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণদের মধ্যে প্রেরণার নতুন বার্তা প্রেরণ করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সরাসরি নেতৃত্বদান, যুবসমাজের সাথে নিবিড় সংযোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মনন ইতিমধ্যেই কিশোরগঞ্জ-২ আসনের জনমনে শক্তিশালী প্রত্যাশার সিঁড়ি তৈরি করেছেন। এবার আসুন জেনে নিই, কে এই আশরাফ জালাল খান মনন—যিনি কিশোরগঞ্জ-২-এর ভোটারদের কাছে শুধুমাত্র একজন রাজনীতিকই নয়, বরং পরিবর্তনের এক নতুন প্রতীক হিসেবে ধরা দিচ্ছেন।
আশরাফ জালাল খান মনন ২০০০ সালে ছাত্রদলের রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ২০০১ সালে চামেলীবাগ ইউনিটের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি আনুষ্ঠানিক রাজনীতির শুরু করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পল্টন থানা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করার পর তিনি ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে সরে আসেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, সংগঠনটিকে সারাদেশে প্রসারিত করতে ৩৮টি জেলা ইউনিট গঠন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ঢাকা বার ইউনিটের এজিএস এবং জাতীয়তাবাদী যুবদলের বিভিন্ন উপ-কমিটিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
আশরাফ জালাল খান মননের পিতা এডভোকেট আরফান উদ্দিন খান একজন সুপরিচিত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। কটিয়াদি এলাকায় তাঁর পরিবার প্রায় ৯৫ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেছে। ফলে আশরাফ জালাল খান মনন ও তাঁর পরিবার স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
আশরাফ জালাল খান মনন বিভিন্ন সময় গ্রেফতার হয়েছেন, কারাভোগ করেছেন এবং অসংখ্য গায়েবি ও মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে তিনি আহত হন এবং তাঁর গাড়িতে গুলি বর্ষণ করা হয়। জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের আন্দোলনে তিনি সরাসরি রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এই সক্রিয়তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সম্মানিত আইনজীবী। বর্তমানে রাজউক, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর স্ত্রী এডভোকেট ফাতেমা নূর নাজমুন বাংলাদেশের এসিস্ট্যান্ট এটর্নি জেনারেল হিসেবে কর্মরত আছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের ভোটাররা আশা করছেন, এই তরুণ ও সাহসী নেতৃত্বই আগামীতে হবে পরিবর্তনের অগ্রদূত। রাজনীতির মাঠে দৃঢ় অবস্থান, ত্যাগ ও জনকল্যাণমূলক মনোভাবের কারণে আশরাফ জালাল খান মনন এখন কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নয়, বরং পরিবর্তনের এক নতুন প্রতীক হিসেবেও জনমনে প্রতীয়মান। আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের প্রত্যাশা নির্বাচনকে নতুন মাত্রা দেবে।











