তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়াপ্রতিভা বের করার লক্ষ্যে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। এবার ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-কিশোর এতে অংশ নেবেন। আগামী পরশু দিন খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন দেশের ৫০৩টি উপজেলায় অনলাইনে সম্প্রচার করা হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রথম আসর থেকে বাছাই করা ৪০ প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) স্থায়ীভাবে ভর্তির ঘোষণাও দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় আসরে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নিবন্ধিত ১৬ লাখ ২৩ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৩ জন কিশোর এবং ৬ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৫ জন কিশোরী। প্রথম আসরের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয় আসরে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে আগামী মে-জুনের মধ্যে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের আয়োজন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আসরের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরপরই তৃতীয় আসরের পরিকল্পনা সরকারের।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কোচের সংখ্যা কমছে। অনেক ফেডারেশনের কোচ নেই। নতুন কুড়ির কার্যক্রম করছে ক্রীড়া পরিদপ্তর। ক্রীড়া অফিসাররা মূলত খেলা ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যস্ত। কোচিংয়ের দিকটি গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'আমরা কোচদের ক্রীড়া ভাতায় আনতে চাই। কোচরা যেন আধুনিক প্রশিক্ষণ পায় ও ভালো খেলোয়াড় তৈরি করতে পারে এজন্য আমরা সচেষ্ট।'