দেশজুড়ে

সিঙ্গাপুরের অনুদানে শ্রীনগরে অসহায়-গরীবের জন্য কুরবানী

  জাগোকন্ঠ ১১ জুলাই ২০২২ , ৫:৪৬ অপরাহ্ণ

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

করোনার এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালো সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান নুর ইনসান।

দুস্থ মানুষ যাদের পশু কুরবানী দেয়ার সামর্থ্য নেই যারা নিতান্তই গরীব তাদের পাশে ৪র্থ বারের মত সিঙ্গাপুর নুর ইনসান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রায় প্রতি বছরের ন্যায় ৩ হাজার এতিম,অনাথ,গরীব পরিবারের সদস্যদের সিঙ্গাপুরের অনুদানে বাংলাদেশের আল ইখলাস এগ্রো র্ফামের স্বত্বাধিকারী মোঃ শাহীনের পরিচালনায় একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম পাড়ায় মহল্লায়,এলাকার মসজিদ মাদ্রাসায় গিয়ে কুরবানির মাংস পৌছে দেন।

রবিবার (১০ জুলাই) পবিত্র ঈদুল আযহার কুরবানী উপলক্ষ্যে দেশের বাহিরে সিঙ্গাপুর থেকে নুর ইনসান নামক একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আল ইখলাস এগ্রো র্ফামের স্বত্বাধিকারী মোঃ শাহিনের কাছে অনুদানের হস্তান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশে গরু এবং খাসি ক্রয় করা হয়।ঈদের দিন নির্দিষ্ট সময়ে সকালে ঈদের নামাজ শেষে মোঃ শাহিনের নিজ বাসভবনের আঙ্গিনায় কুরবানীর শেষে গরু এবং খাসির মাংস এলাকা এবং এলাকার বাইরে থেকে আগত ৩ হাজার অনাথ, গরীব, এতিম,মাদ্রাসায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে সুষম বন্টন করা হয়েছে।

কোরবানির মাংস হাতে পেয়ে ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,সারা বছর আমরা মাংস খেতে পারিনা” নুন আনতে পান্তা ফুরায়” কিন্তু সিঙ্গাপুর থেকে কয়েক বছর ধরে আমাদেরকে শাহিনের মাধ্যমে মাংস খাবার ব্যবস্থা করে দেয়।

বয়স্ক এক অন্ধ ব্যক্তি সামাদ মাংস হাতে পেয়ে বলেন,আল্লাহ তাআলা সিঙ্গাপুর বাসীকে ভাল রাখুক। সব সময় সিঙ্গাপুরের জন্য আল্লাহর রহমত বর্ষিত হইক। যারা সিঙ্গাপুর থেকে আমাদেরকে মাংস খেতে সাহায্য করে ওই ব্যক্তিদের আল্লাহর নেক হায়াত দান করুক।

এ ব্যাপারে আল ইখলাস এগ্রো র্ফামের পক্ষ থেকে মোঃ শাহিন বলেন,বিশ্বাস একটি শ্রেষ্ঠ সম্পদ।আমি বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরের বসবাস করে সিঙ্গাপুরে প্রতিষ্ঠান নুর ইনসান আমার মাধ্যমে কুরবানীর যে গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন সেই দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ আমার স্বেচ্ছাসেবী টিম এবং আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বাংলাদেশের পক্ষ হতে অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এবং সিঙ্গাপুর নুর ইনসানের সাথে যারা জরিত তাদের সহ পরিবারের সকলের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা।আশা করি প্রতিবছরই এত সুন্দর একটা আয়োজন চলমান থাকবে। God bless Singaporean.

আরও খবর: