জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ২২ মার্চ ২০২৩ , ৬:৪১ পূর্বাহ্ণ
ট্রাফিক পুলিশের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রতি বছর রমজান মাসে নগরবাসীকে তীব্র যানজটে ভুগতে হয়। পরিস্থিতি বলছে, এবারও হয়তো ওই ভোগান্তি থেকে রক্ষা নেই। রাজধানীর বহু সড়কে চলছে খোঁড়াখুঁড়ি, ফলে যানজট অনিবার্য। এ অবস্থায় যানজট থেকে মুক্তি দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাসে না গিয়ে পুলিশ বলছে, এবার তারা নগরবাসীকে ‘সহনীয় যানজট’ উপহার দিতে চান।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য, ইফতারসামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। যানজটপ্রবণ এলাকার সড়কে থাকবে বিশেষ নজরদারি। সেখানে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও থাকবেন। একইসঙ্গে ইফতারের আগে সড়কে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে কাজ করবেন ক্রাইম বিভাগের সদস্যরাও। সঙ্গে মোতায়েন থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য।
রমজান সামনে রেখে দিনের বেলা সড়কে খোঁড়াখুঁড়িসহ উন্নয়ন কাজ বন্ধ রাখা এবং চলমান কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদও দিচ্ছে ট্রাফিক বিভাগ।
এবার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য, ইফতার সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। যানজটপ্রবণ এলাকার সড়কে থাকবে বিশেষ নজরদারি। সেখানে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও থাকবেন। একইসঙ্গে ইফতারের আগে সড়কে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে কাজ করবেন ক্রাইম বিভাগের সদস্যরাও। সঙ্গে মোতায়েন থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান বলেন, আমরা এবার ট্রাফিক আইন মানার জন্য সবাইকে সচেতন ও সতর্ক করব। পথচারী, চালক, যাত্রী সবাইকে আইন মানতে বাধ্য করা হবে। না মানলে প্রয়োজনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, রমজানে মার্কেট, চার রাস্তার মোড়, বাণিজ্যিক এলাকায় বেশি যানজট তৈরি হয়। বিশেষ করে ইফতারের আগে ঘরমুখো মানুষ ও পরিবহনের চাপ তৈরি হয় সড়কে। সেখানে ট্রাফিক সদস্যদের সক্রিয় রাখা হবে। রুট পারমিট ছাড়া কোনো পরিবহনকে যাতায়াত করতে দেওয়া হবে না। নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে সড়ক সচল রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে থাকবে অতিরিক্ত ফোর্স
মুনিবুর রহমান বলেন, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সাধারণত যে যেভাবে পারেন চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই প্রবণতা যেন না থাকে সেজন্য ট্রাফিক বিভাগ ক্রাইম ডিভিশনের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে। ইফতারের আগে সড়কের মোমেন্টাম (গতিবেগ) ঠিক রাখার চেষ্টা থাকবে। সেজন্য অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হবে। মাঠ পর্যায়ে থাকবেন ট্রাফিক বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
‘উন্নয়ন কাজের কারণে অনেক সড়ক প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। রমজানে এর বড় প্রভাব পড়বে। আমরা অনুরোধ করেছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেন উন্নয়ন কাজ শেষ হয়।’

সিএনজি-পেট্রোল পাম্প কতক্ষণ চলবে— জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিএনজি-পেট্রোল পাম্পের বিষয়ে নির্দেশনা আছে। সেটা সংশ্লিষ্ট দপ্তর দেখবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে কেউ পাম্প খোলা রাখলে আমরা ব্যবস্থা নেব।
ফিটনেসবিহীন পরিবহন চলবে না
সড়কে বিশৃঙ্খলার জন্য লক্কর-ঝক্কর ও ফিটনেসবিহীন পরিবহনকে অনেকাংশে দায়ী করছে ট্রাফিক বিভাগ। রমজানে ফিটনেস ছাড়া কোনো পরিবহন যেন সড়কে না নামে সেজন্য পরিবহন মালিকদের অনুরোধ করেছে ট্রাফিক বিভাগ।
এ সম্পর্কে মুনিবুর রহমান বলেন, সড়কে মানুষের ভোগান্তির আরেক নাম লক্কর-ঝক্কর বাস। ফিটনেস সার্টিফিকেট নিশ্চিত করে যেন সড়কে ব্যক্তিগত পরিবহন ও গণপরিবহন নামানো হয় সেজন্য আমরা পরিবহন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তাদের সেটা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
















