জাগো কন্ঠ ১৫ মার্চ ২০২৬ , ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ
স্পোর্টস ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সপ্তাহ পেরিয়েছে। তবে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় আরও আগে (২৮ ফেব্রুয়ারি), সুপার এইটে। টুর্নামেন্টটিতে এখনও তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা শেষ হয়নি। এরই মাঝে শোনা যাচ্ছে– বিশ্বকাপে ইনজুরি নিয়ে খেলেছেন পাকিস্তানের দুই সিনিয়র তারকা বাবর আজম ও ফখর জামান। যে কারণে বিষয়টি অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক আকিব জাভেদ।
বাংলাদেশের মাটিতে বর্তমানে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে পাকিস্তান, ইতোমধ্যে দুই ম্যাচ শেষ। যেখানে পাকিস্তান বাবর-ফখরসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়রকে ছাড়াই এসেছে। স্কোয়াডে অনিভিষিক্ত ৬ ক্রিকেটার ডাক পান। সেই প্রসঙ্গের পাশাপাশি বাবর-ফখরের ইনজুরি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলার অভিযোগ নিয়েও সংবাদ সম্মেলন কথা বলেছেন পাকিস্তানের নির্বাচকরা। যেখানে আকিবের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের সহ-নির্বাচক মিসবাহ-উল-হক, সরফরাজ আহমেদ ও আসাদ শফিক উপস্থিত ছিলেন।
আকিব জাভেদ বলেছেন, ‘কয়েকজন ক্রিকেটার এই সিরিজে (বাংলাদেশ) নেই। (বিশ্বকাপ থেকে) ফেরার পর বাবর আজমের ইনজুরি নিয়ে উদ্বেগ আছে, আমাদের চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করেছে। চোটের কারণে এই সিরিজ অথবা ঘরোয়া ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে নেই তিনি। যদিও তিনি ইনজুরি-আক্রান্ত, তবুও খেলতে চেয়েছিলেন। ফখরেরও চোট রয়েছে– যে কারণে আমরা বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) অনুসন্ধান করার অনুরোধ জানিয়েছি। কীভাবে বিশ্বকাপের পরপরই ফখরও আনফিট হয়ে যান, এই দুজনের ইনজুরির তথ্য আমাদের কাছে এসেছে?’
পাকিস্তানের কোচ এবং ফিজিও’র প্রতি প্রধান নির্বাচকের প্রশ্ন– ‘বিশ্বকাপে তারা যখন খেলছিলেন, সেখানে কি তাদের ফিটনেস ঠিকভাবে দেখভাল করা হয়নি? তারা কি পুরো ফিট না হয়েও স্কোয়াডে ছিলেন? আমরা নির্বাচক, আমাদের বিষয়গুলো জানা উচিত। যখন আপনি বিশ্বকাপ খেলতে যাবেন, সেখানে যেকোনো স্বাস্থ্যগত বিষয় আপনার প্রধান কোচ, ফিজিও আছেন। ফলে আপডেট দেওয়া এবং বিষয়গুলো আমাদের জানানোর দরকার ছিল।’
বাবরদের ইনজুরির তথ্য কেন জানানো হয়নি সেই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশ সিরিজের জন্য তুলনামূলক তরুণ দল পাঠানো প্রসঙ্গে আকিব বলেন, ‘(সাংবাদিকদের উদ্দেশে) আপনাদের কিংবা আমাদের কাছে এটি দৃশ্যমান ছিল কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোথায় কোন ক্রিকেটার ম্যাচ কিংবা প্র্যাকটিসে কীভাবে চোট পেয়েছেন, আমরা জানি না। তবে আমরা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর সিরিজ খেলতে মাজ সাদাকাতের মতো তরুণদের পাঠাব। বিশ্বকাপের আগেই পুরো শক্তির স্কোয়াড না পাঠানোর সিদ্ধান্ত ছিল। যা আমরা ২০২৪ জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে করে আসছি। নতুন ক্রিকেটার খেলালে বাড়তি অপশন তৈরি হবে।’
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে সুযোগ না পেলেও সুপার এইটের দুই ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশে ছিলেন ফখর জামান। যেখানে তিনি ১৮৭.৯৩ স্ট্রাইকরেটে ১০৯ রান করেন। অন্যদিকে বাবর আজমের পারফরম্যান্স ছিল সমালোচিত। ৬ ম্যাচে ১১২.৩৪ স্ট্রাইকরেটে তার ব্যাটে আসে স্রেফ ৯১ রান। বাবর-ফখর-সালমান মির্জাদের চোটের বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে সংবাদ সম্মেলনে এটাই মূল ফোকাসে ছিল পাকিস্তান নির্বাচকদের। আকিব বলেন, ‘যেকোনো সময়ে ইনজুরি হতে পারে। আমি জানি না কীভাবে ঘটেছে। বাবর আজম, ফখর জামান এবং আরেকজন সালমান মির্জা খেলার মতো ফিট নন। যদি আমরা সেমিফাইনালে উঠতাম তাহলে কি তারা ফিট থাকতেন? এটা প্রশ্ন।’
















