জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ , ৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর প্রতিনিধি’
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে শ্যালক “শাওন ইসলাম সপন(২৬)র হাতে দুলাভাই জাফর সরদার (৩২) কে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (০১ ফেব্রুয়ারী)ভোর ৫ টার দিকে সখিপুর থানার ডিএমখালী ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই শ্যালককে গ্রেফতার করেছে সখিপুর থানা পুলিশ।
মৃত জাফর সরদার(৩২) ডিএমখালী ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহালম সরদারের ছেলে। সে সাভারের আশুলিয়া নবী নগর এলাকার একটি গার্মেন্সের আয়রন ম্যান হিসাবে কাজ করতেন।
আসামী শাওন ইসলাম সপন (২৬) গোসাইরহাট উপজেলার আলওয়ালপুর ইউনিয়নের ফজলুল হক হাং কান্দির বাসিন্দা মৃত মোখলেস পরামানিকের ছেলে।
পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, নিহত জাফর সরদার ও তার স্ত্রী মিলে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করে ভালোই জীবন যাপন করছেন। তবে শ্যালক সপন বিভিন্ন আড্ডায় পড়ে মাদকাসক্ত হয়ে যায়। পরে সম্প্রতি স্ত্রীর কাছে মাদক কিনতে টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় তার দেড় বছরের ছেলেকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে। গতকাল এ বিষয় একটি দরবার হয় সপনের শশুরবাড়ির লোকেদের সাথে। দরকার শেষে সেখান থেকে তার বোন ফাতেমা আক্তারের বাড়িতে এসে রাত ১২ টায় তার বাক প্রতিবন্ধী দুলাভাই জাফরের সাথে ঘুমায়। সকালে নিহতের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বাড়ি থেকে ডাকলে কেউ দরজা না খোলায় অপর পাশে একটি জানলা দিয়ে দেখতে পায় জাফর সরদারের রক্তাক্ত লাশ বিছানায় পড়ে আছে। তবে পূর্ব পাশের দরজা দিয়ে ঘাতক শ্যালক সপন পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা মিলে সালোক স্বপনকে খুঁজতে তার এলাকায় গেলে সেখানে তার জামায় রক্ত লাগা অবস্থায় দেখে ফেলে।পরে সে পালাবার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাকে ধরে পুলিশে দিয়ে দেয়।
নিহত জাফরের মা বলেন, আমার ছেলেকে পাটা দিয়ে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে স্বপন। আমার ছেলের হত্যার বিচার আমি দেখে যেতে চাই।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়েদুল হক বলেন, নিহত জাফরের মরদেহ সুরতহাল শেষ করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত স্বপন আহম্মেদ শাওনকে গরিবেরচর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
শা/ভে/আই

















