ক্যাম্পাস

নোবিপ্রবিতে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মিট আপ উইথ ভাইস-চ্যান্সেলর’

  জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ১০ মে ২০২৬ , ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মানে ‘মিট আপ উইথ ভাইস-চ্যান্সেলর’ শীর্ষক বিশেষ আয়োজন। আগামী ১৩ মে ২০২৬, বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে ‘সেলিব্রেটিং একাডেমিক এক্সিলেন্স’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

নোবিপ্রবি রিসার্চ সেল আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত ফলাফলে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী কৃতী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মেধাকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের আরও অনুপ্রাণিত করা। যারা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে, তারা যেন ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে এবং নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং নেতৃত্বগুণ বিকাশেও এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষকে স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করতেই এ আয়োজন করা হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করবে এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে অনুষ্ঠিত ‘মিট আপ উইথ ভাইস-চ্যান্সেলর’ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩টি বিভাগের প্রায় ১৮০ জন কৃতী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। সে আয়োজনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে।

 

 

 

নো/বি/আই

আরও খবর: