ক্রীড়া সাংবাদিকদের নিজস্ব মিলনমেলায় পুরস্কার বিতরণের মাঝেই এলো গুরুত্বপূর্ণ এক ঘোষণা। শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি আয়োজিত কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভালে উপস্থিত হয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানালেন, পদকের সম্ভাবনাময় ডিসিপ্লিনগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও বাড়তি বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
দেশে ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি হলেও এশিয়ান কিংবা কমনওয়েলথ গেমসের মতো বড় আসরে পদক তালিকায় বাংলাদেশের নাম খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর- এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটেই প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে পদক আসতে পারে- এমন ডিসিপ্লিনগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।’ ক্রীড়া সাংবাদিকদের সুস্বাস্থ্য প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি, ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও খেলাধুলায় যুক্ত থাকা জরুরি। এই আয়োজন বছরব্যাপী সারা দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।’
কার্নিভালে এবার ৮ ডিসিপ্লিনের ১২ ইভেন্টে লড়েছেন সমিতির শতাধিক সদস্য। জমজমাট আসরের সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম মিদুল হাসান- জিতেছেন আবদুল মান্নান লাডু ট্রফি (স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার)। প্রথম রানারআপ হন মনজুর এলাহী শান্ত।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিএসপিএ সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান। পুরস্কারের ঝলকানির ভেতর দিয়ে যে বার্তাটা স্পষ্ট হলো, তা হলো-নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তত সদিচ্ছার অভাব নেই, এখন দেখার বিষয় বাস্তবায়নের পথে সেই অঙ্গীকার কতদূর গড়ায়।