অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে গত রোববার সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু ওইদিন আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর সোমবার এ বৈঠকের বিষয়টি ফাঁস হয়।
পরবর্তীতে আমিরাত সরকার নেতানিয়াহুকে আতিথেয়তা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। এরপর নেতানিয়াহুর দপ্তরও সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
নেতানিয়াহুর এ গোপন সফর নিয়ে সতর্কতা দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজাই বলেছেন, নেতানিয়াহুকে সফরের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি আমিরাতের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না, এটির পরিণতি ভালো হবে না। তিনি নেতানিয়াহুকে ‘গাজার কসাই’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক্সে এক পোস্টে মোহসেন বলেছেন, “(আমিরাতকে বলছি) যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি তৈরি করার বিষয়টি আপনাদের নিরাপত্তা এনে দেয়নি। আর গাজার কসাইকে আতিথেয়তার বিষয়টির পরিণতিও ভালো হবে না। সাম্প্রতিক যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিন, যুদ্ধবাজগিরি বন্ধ করুন এবং ইরানের দ্বীপ নিয়ে ভিত্তিহীন (মালিকানা) দাবি বন্ধ করুন।”
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস দখলদার ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালায়। এরপর থেকে গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা। তারা গত তিন বছরে উপত্যকাটিতে ৭৪ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। শহরের পর শহর ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন সেখানকার বেশিরভাগ মানুষকে ধ্বংসস্তূপে থাকতে হচ্ছে।
গত বছর হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি হলেও; এখনো ইসরায়েলি সেনারা প্রতিদিন সেখানে হামলা চালায়। এরফলে আহত নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল