জাগোকন্ঠ ১৭ জুলাই ২০২৪ , ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
সুবন্ধির বাঁধ আমতলী উপজলার চার ইউনিয়নর লক্ষাধিক মানুষর মরণ ফাঁদ। বাঁধর কারন চার ইউনিয়নর কষকদর জমির ফসল নষ্ট হছ। এ বাঁধ কাটার দাবীত মঙ্গলবার সুবন্ধি বাঁধ এলাকায় ভুক্তভাগী কয়কশ কষক বিক্ষাভ মিছিল করছ । দ্রæত বাঁধ কট দয়ার দাবী জানিয়ছন তারা।
জানাগছ, কয়কশত বছরর পুরাতন নদী চাওড়া। এ নদীটি হলদিয়া, চাওড়া, আমতলী সদর ও কুকুয়া ইউনিয়নর সীমাÍবর্তী দিয় প্রবাহিত। চার ইউনিয়নর অÍত লক্ষাধীক মানুষর চলাচলর একমাত্র মাধ্যম এ নদী। এ নদী দিয় ব্যবসায়ীরা নপথ আমতলী, তালুকদার বাজার, অফিস বাজারসহ বিভিন হাট আসা যাওয়া করতা। এত অÍত বছর কয়কশত কাটি টাকা আয় হতা। কি জায়ারর পানিত হলদিয়া ইউনিয়নর একটি অংশর শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্র¯ হতা।
ওই শতাধিক পরিবারক রক্ষায় ১৯৯০ সাল সুবন্ধি নামক ¯ান ¯ানীয়রা নদীত বাঁধ নির্মাণ কর। এত নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ হয় বর্ষা মসুম জলাবদ্ধতার সষ্টি আবার শুকনা মসুম নদীর পানিত দুর্গন্ধ ছড়িয় এলাকার পরিবশ চরমভাব ক্ষতিগ্র¯ হয়। মানুষ ও গবাদিপশু ওই নদীর পানি ব্যবহার করত পারনা। ফল চার ইউনিয়নর অÍত লক্ষাধিক মানুষ চরমভাব ক্ষতি গ্র¯ হছ। পর ক্ষতিগ্রস্তরা পাঁচ বছরর মাথায় ওই বাঁধ কট দয়। পুনরায় নদীর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয় এবং মানুষ শাÍিত বসবাস করত থাক। বাঁধ কাটার ১৬ বছরর মাথায় অর্থ্যাৎ ২০০৮ সাল ওই এলাকার শতাধিক পরিবারক রক্ষায় তৎকালিন উপজলা পরিষদ চয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন আহমদ তালুকদার পুনরায় বাঁধ নির্মাণ করন।
বাঁধ দয়ায় গত ১৬ বছর আমতলী উপজলার চারটি ইউনিয়নর অÍত লক্ষাধীক মানুষ আবারা চরম দুর্ভাগ পরছ। বর্তমান বাঁধর কারন জলাবদ্ধতা সষ্টি হয় মানুষর চাষাবাদ বন্ধ রয়ছ। এদিক মঙ্গলবার দুপুর এ বাঁধর বর্তমান অব¯া পরিদর্শণ আসন বরগুনা পানি উনয়ন বার্ডর নির্বাহী প্রকশলী মাঃ রাকিব। তার উপ¯িতিত কয়কশত মানুষ বাঁধ কাটার দাবীত বিক্ষাভ করছ। ভুুক্তভাগী যমুনা বগম কানা জনিত কন্ঠ বলন, এ বাদর লইগ্যা মুই রাগা। গাঙ্গর পানি পইচা গ্যাছ। মানুষ ব্যবহার হরত পার না। মার একটু জাগা আলহ মুই হই জাগা চইত পারি না। এই বাঁধ হহাল কাইট্ট্যা দয়ার দাবী হরি।
ভুক্তভাগী সলিম সিকদার বলন, গত আট দিন ধর জমির বীজ ভিজিয় রখছি কি পানির কারন জমি চাষাবাদ করত পারছি না। বীজ ঘর বস পচ যাছ। অÍত লক্ষাধিক মানুষক বিপদ ফল শতাধিক পরিবারক রক্ষায় নির্মাণ করা হয়ছ এ বাধ। দ্রæত এ বাঁধ কট দয়ার দাবী জানান তিনি।সুবন্ধি এলাকার হারুন অর রশিদ মধা বলন, বাঁধ কট দিল এই এলাকার অÍত শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হব।
ভুক্তভাগী চাওড়া ইউপি সদস্য জসিম গাজী বলন, এ বাঁধর কারন অÍত লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। এ বাঁধর কারন চার ইউনিয়নর লক্ষাধিক মানুষ অর্থনতিক ও শারীরিকভাব চরম ক্ষতিগ্রস্ত হব। দ্রæত এ বাধ কট দয়ার দাবী জানান তিনি।
হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মাঃ মতিয়ার রহমান বলন, বাঁধর কারন চার ইউনিয়নর ৮০ ভাগ মানুষর ক্ষতি হয় এটা যমন চরম সত্য আবার বাঁধ কট দিল ২০ ভাগ মানুষর ক্ষতি হব এটাও সত্য। তব ২০ ভাগ মানুষক সুরক্ষা দিয় বাঁধ কট দিল সমস্যা নই।
চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ সাবক চয়ারম্যান ও বরগুনা জলা বার সহ-সভাপতি অ্যাড. মাঃ মহসিন হাওলাদার বলন, লক্ষাধিক মানুষক রক্ষা করত হল সুবন্ধি বাঁধ কাটার বিকল্প নই। এই বাঁধর কারন চার ইউনিয়নর মানুষ অর্থনকিভাব পঙ্গু হয় যাছ। তিনি আরা বলন, বাধ কাটল য কয় পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই পরিবারগুলা রক্ষায় বন্যা নিয়¿ণ বাঁধ নির্মাণ করত আর সমস্যা থাক না।
আমতলী উপজলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলন, বাঁধ কাটার পক্ষ সিধাÍ হয়ছিল কি কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চয়ারম্যান আপত্তি জানিয়ছন। তিনি আরা বলন, বরগুনা পানি উনয়ন বার্ডর নির্বাহী প্রকশলীক জানিয়ছি তিনি পরিদর্শণ কর ব্যব¯া নিবন।
বরগুনা পানি উনয়ন বার্ডর নির্বাহী প্রকশলী মাঃ রাকিব বলন, সুবন্ধি এলাকা পরিদর্শণ করছি। ওই সময় বশ কিছু মানুষ বাঁধ কাটার পক্ষ বিক্ষাভ করছ। তব অধিদপ্তরর কারিগড়ি বিশষজ্ঞদর সঙ্গ আলাচনা কর ব্যব¯া নয়া হব।











