দেশজুড়ে

ড.কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম বিবৃতি

  জাগোকন্ঠ ১৭ জুলাই ২০২৪ , ৮:৫১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আমি একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানী স্বৈরশাসকের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করা। নিজেদের কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়।বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধদের নাম ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সৃষ্টি করেছে। এরা সকলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং তাদের আত্মীয়-স্বজন। বাকশালী শাসন পাকাপোক্ত করার জন্য কোটার আড়ালে তাদের দলীয় নেতা নেতৃবৃন্দের ছেলে-মেয়েদের চাকরিতে নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে। দেশের আনুমানিক নিরীহ ৮০ থেকে ৯০% মানুষের মেধাবী ছেলে মেয়েদের সমাজে বৈষম্য দূর করা এলডিপির প্রধান লক্ষ্য। আমরা সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণে বদ্ধপরিকর।

শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও সশস্ত্র ছাত্রলীগের হিংস্র আক্রমণে ৭ জন শহীদ হয়েছেন। এছাড়াও আজও আন্দোলনরত সাধারন ছাত্রছাত্রীদের উপর র্র্যাব,পুলিশ,বিজিবি ও সোয়াতের ব্যাপক হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন । এই ন্যাক্কারজনক রক্তাক্ত ঘটনায় সরকারী চাকুরীতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে বৈষম্য, বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা আমরা পূর্ণ সমর্থন দিয়ে আসছি। এরশাদ বিরোধী আনদোলনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোতে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বৈরশাসক এরশাদ এতো নিপিড়ন বা নির্যাতন করে নাই। অবৈধ আওয়ামী সরকার ছাত্র লীগ,যুবলীগের অস্ত্রধারী পেটুয়া বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনী নির্যাতন এবং ছাত্রীদের উপর অমানবিক নিপিড়ন যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিকাল বেলা হল বন্ধ ঘোষণা দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিপদের মূখে ঠেলে দিয়েছে। আমাদের সকলের উচিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো। কারণ তারাই আমাদের আগামীর নেতা ।
অবৈধ সরকারের উচিত হবে কোন অবস্থাতেই যেন দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়। অবৈধ সরকারের উচিত হবে দেশে শৃঙ্খলা বজায় রাখা। সরকারের কাছে আশা করছি।ছাত্রদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করেন। শান্তির শৃঙ্খলা বজায় রাখার ব্যবস্থা নিন।

আমরা এলডিপির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যথাযথ মর্যাদা দিচ্ছি এবং
আগামীকাল ১৮ জুলাই সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে সর্বাত্মক সমর্থন জানাচ্ছি।

আরও খবর: