Jahirul Hasan
প্রকাশ : Sep 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আমিনুল হকের ঘোষণার পরও থমকে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের পুনর্গঠন

একটি পেশাদার, আধুনিক ও স্বনির্ভর ক্রীড়া ক্লাব হিসেবে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে গড়ে তোলার ঘোষণা এসেছিল জোরালোভাবেই। গত ৯ মে ক্লাব পরিদর্শনে এসে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ফুটবল, ক্রিকেট ও হকির পাশাপাশি আর্চারি, শুটিং, সাঁতার, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও স্কোয়াশের মতো ডিসিপ্লিন যুক্ত করে ক্লাবটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

তবে সেই ঘোষণার কয়েক মাস পরও প্রশ্ন উঠছে বাস্তবে কতটা এগিয়েছে পুনর্গঠনের উদ্যোগ?
ক্লাব-সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও পুনর্গঠনের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। বরং ক্লাবের মাঠ, একাডেমি, ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে ধানমন্ডি সোসাইটির ভূমিকা এবং ক্লাব পরিচালনায় বিভিন্ন পক্ষের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা।

ক্লাব, মাঠ ও সোসাইটি নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন
ধানমন্ডি মাঠের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের আগস্টে যুগান্তরের এক অনুসন্ধানে মাঠটির তদারকিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের পাশাপাশি ধানমন্ডি সোসাইটির সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে আসে। ওই প্রতিবেদনে মাঠটি ইজারা নেওয়ার জন্য সোসাইটির পক্ষ থেকে আবেদন করার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছিল।

তৎকালীন সময়ে সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ওয়াসিক খান অলক মাঠটি সোসাইটি ও গণপূর্তের নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা জানিয়েছিলেন। এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—একটি সরকারি মাঠের ব্যবস্থাপনা এবং একটি ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমে একই পক্ষের প্রভাব কতটা থাকা উচিত?

ধানমন্ডি সোসাইটির ২০২৫-২০২৭ কমিটিতে নাজমুল ওয়াসিক খান (অলক) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তাঁর আগের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে এনে ক্লাব-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন বর্তমানে ক্লাব ও একাডেমি পরিচালনায় সোসাইটির প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

পেশাদার ব্যবস্থাপনার বদলে নতুন ক্ষমতার কাঠামো?
ক্লাব-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা অভিজ্ঞ কোচ ও প্রশিক্ষকদের সরিয়ে দেওয়ার ফলে ফুটবল ও ক্রিকেট একাডেমির কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, একাডেমির আয় কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা নিয়েও পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নেই। ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের ক্রিকেট ও ফুটবল একাডেমিতে ভর্তি ও মাসিক ফি থেকে নিয়মিত আয় হয়। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আয়ের একটি অংশ কোচদের পারিশ্রমিক, একাডেমির পরিচালন ব্যয় এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয় হয়। উদ্বৃত্ত অর্থ সাধারণত ক্রিকেট ও ফুটবল দলের ক্যাম্প ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যবহারের চর্চা ছিল।

ক্লাব-সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক লেনদেনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। আগে একাডেমির অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন করা হলেও এখন নগদ অর্থ গ্রহণের ঘটনা বাড়ায় হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এমনকি ক্লাব-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন দাবি করেছেন, প্রতি মাসে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনিয়ম হচ্ছে। 

পৃষ্ঠপোষকদের ভূমিকা ও নতুন সংকট
ক্লাব-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত প্রায় এক যুগ ধরে সাফওয়ান সোবহান ও ইসতিয়াক সাদেকের পৃষ্ঠপোষকতায় ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

গত ৮ মে ২০২৬ ক্লাবের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক ইসতিয়াক সাদেক তিন বছরের মধ্যে ক্লাবকে টেকসই করার এবং ডোনেশননির্ভরতা থেকে বের হয়ে নিজস্ব আয়ে পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানান। এর পরদিন ক্লাব পরিদর্শনে এসে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বনির্ভর স্পোর্টস কমপ্লেক্সে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

কিন্তু ক্লাব-সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই সময়ের পর ইসতিয়াক সাদেকের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটির ভূমিকা কার্যত দুর্বল হয়ে পড়ে। তাঁদের দাবি, বর্তমানে ধানমন্ডি সোসাইটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষ ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করেছে।

একাডেমি থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ ক্লাব পরিচালনা ও খেলোয়াড়দের পেছনে ব্যয় হলেও শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল ও ক্রিকেট দলের বড় আর্থিক ব্যয় দীর্ঘদিন পৃষ্ঠপোষকরাই বহন করেছেন বলে ক্লাব-সংশ্লিষ্টদের দাবি। তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, ফুটবল ও ক্রিকেট মিলিয়ে বছরে প্রায় ২০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে এবং দীর্ঘ এক যুগে পৃষ্ঠপোষকদের ব্যয়ের পরিমাণ শত কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। 

চ্যাম্পিয়ন হয়েও অনিশ্চয়তায় ক্রিকেট দল
২০২৫-২৬ মৌসুমে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আসন্ন মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে অংশ নেওয়ার কথা দলটির।

কিন্তু নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি ও দল পরিচালনা নিয়ে ক্লাব-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনিক অস্থিরতার কারণে দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট নয়। ক্লাব-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, ক্রীড়া দল পরিচালনায় অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকায় নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো কার্যকরভাবে দল পরিচালনা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে ক্লাবের আয় কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেট দলের নিবন্ধন, খেলোয়াড় ধরে রাখা, কোচিং স্টাফ এবং নতুন মৌসুমের বাজেট—সবকিছু নিয়েই দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

ফুটবলে ফেরার ঘোষণা—তারপর?
৯ মে-র আগেই ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের ফুটবলে ফেরার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ৮ মে ২০২৬ বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির আবার ফুটবলে ফেরার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়।

এটি নিঃসন্দেহে ক্লাবটির জন্য সম্ভাবনাময় প্রত্যাবর্তনের বার্তা ছিল। কিন্তু ফুটবলে ফিরে আসার ঘোষণাকে বাস্তব সাফল্যে পরিণত করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। ফুটবল একাডেমি থেকে সিনিয়র দল পর্যন্ত খেলোয়াড় তৈরির ধারাবাহিকতা কীভাবে নিশ্চিত হবে? অভিজ্ঞ কোচিং স্টাফদের ভূমিকা কী হবে? ক্লাবের নিজস্ব রাজস্ব কাঠামো কী হবে? পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্কই বা কীভাবে নির্ধারিত হবে?

‘সাসটেইনেবল ক্লাব’ হওয়ার স্বপ্ন কি পিছিয়ে যাচ্ছে?
৯ মে আমিনুল হকের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে ব্যক্তি বা অনুদাননির্ভরতার বাইরে এনে একটি স্বনির্ভর ও টেকসই ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। কিন্তু বর্তমানে সামনে আসা অভিযোগ ও প্রশ্নগুলো সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথকে জটিল করে তুলছে।

ক্লাব-সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিজ্ঞ ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা ও কোচিং কাঠামো দুর্বল হয়েছে, পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, একাডেমির আয় ও ক্লাবের ব্যয়ের মধ্যে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং মাঠ ও ক্লাবের ব্যবস্থাপনা ঘিরে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি তাই ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের আয় শেষ পর্যন্ত ক্লাবের ক্রীড়া উন্নয়নেই কতটা পুনঃবিনিয়োগ হচ্ছে? যদি একাডেমির বাণিজ্যিক কার্যক্রমই ক্লাবের প্রধান আর্থিক ভিত্তি হয়ে ওঠে, কিন্তু সেই অর্থের উল্লেখযোগ্য অংশ খেলোয়াড় উন্নয়ন, কোচিং, অবকাঠামো ও প্রতিযোগিতামূলক দল পরিচালনায় পুনঃবিনিয়োগ না হয়, তাহলে ‘সাসটেইনেবল স্পোর্টস ক্লাব’-এর ধারণাটি বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।

নিয়ন্ত্রণ দখলের অভিযোগ
ক্লাব-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন আরও অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে ক্লাবের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় অপরাধী ও মাদকসেবীদের ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।

ঐতিহ্য হারানোর শঙ্কা
ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব শুধু একটি মাঠ বা ফুটবল-ক্রিকেট দলের নাম নয়। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে খেলোয়াড় তৈরি, প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ও ফুটবল এবং ক্রীড়া অবকাঠামোর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একটি ঐতিহ্য রয়েছে। সেই প্রতিষ্ঠান যদি পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনার বদলে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্বে আটকে যায়, তাহলে ক্ষতি শুধু একটি ক্লাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তরুণ খেলোয়াড় তৈরির একটি সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্ম এবং স্থানীয় পর্যায়ের ক্রীড়া অবকাঠামো।

তাই ৯ মে-র ঘোষণার পর এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা। ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে সত্যিকার অর্থে একটি ‘সাসটেইনেবল স্পোর্টস ক্লাব’-এ রূপ দিতে হলে প্রথমেই স্পষ্ট করতে হবে ক্লাবের আইনগত ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে, মাঠের ব্যবস্থাপনা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, একাডেমি থেকে কত আয় হচ্ছে, সেই অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে এবং ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য কতটা পুনঃবিনিয়োগ করা হচ্ছে।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব একটি আধুনিক, পেশাদার ও স্বনির্ভর ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে, নাকি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুরোনো দ্বন্দ্বেরই নতুন সংস্করণে আটকে থাকবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে এখন থেকে হরমুজকে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ নামে ডাকা হ

1

সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে : মাহদী আমি

2

মেসির সম্ভাব্য অবসর নিয়ে কথা বললেন আর্জেন্টাইন ফুটবল প্রধান

3

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জশনে জুলুস

4

২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে বেরোবির আওয়ামীপন্থী দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষ

5

ইংল্যান্ডে পাড়ি জমাতে পারেন এনড্রিক

6

ইরান-হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক আলোচনা চালিয়ে

7

৫৪ রানে অলআউটের পরও নিজেদের ওপর বিশ্বাস ছিল : মিরাজ

8

শুটিং করতে গিয়ে নেপালে আটকা পড়লেন খরাজ

9

পরিচ্ছন্ন-সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প

10

সান্তোসকে জেতানোর পর বিতর্কে জড়ালেন নেইমার

11

বাংলাদেশের জন্য এখনই সৌরশক্তি উন্নয়নের উপযুক্ত সময় : ইয়াও ওয়

12

যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটা কোনো ডকুমেন্টারি ন

13

শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

14

ফয়জুর শিরীন প্রফেশনাল ট্রেনিং সেন্টার , নিবন্ধন সনদ ও অনুমো

15

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

16

দুই পথে হাঁটেন তারা, তবুও তাদের রোজই দেখা হয়!

17

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ফাঁকা রেখে চিকিৎসকদের মিটিং,

18

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা কমায় হ্রাস পেয়েছে তে

19

পুনর্নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো, নিশ্চিত করলো ফিফা

20