দেশজুড়ে

রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনায় তথ্যমন্ত্রীর গনসংযোগ।

  জাগোকন্ঠ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ , ১১:১১ পূর্বাহ্ণ

২৫ ডিসেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী আংশিক) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের চন্দ্রঘোনায় জিয়া মার্কেটে জনসংযোগ।

চন্দ্রঘোনা জিয়া মার্কেট পথসভায় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, পনেরো বছর আগের রাঙ্গুনিয়ায় সাথে আজকে মিলিয়ে দেখলেই বুঝা যায় গত পনেরো বছরে কি উন্নয়ন হয়েছে।

এই বুইজ্জ্যার দোকান জিয়া মার্কেটস্থ রাস্তার কথাই চিন্তা করেন আগে এই রাস্তা কেমন ছিল এখন কেমন আছে? এই রাস্তা পনেরো বছরে তিনবার রিপেয়ার করা হয়েছে। 

এভাবে প্রতিটি ইউনিয়নের আনাচে কানাচে এমন কোন কাজ নাই আমরা করি নাই।

কর্ণফুলী নদীর ভাঙ্গন রোধে ব্লক বসানো হয়েছে, যদি ব্লক বসানো না হতো দোভাষী বাজারের কিছু অংশ কর্ণফুলী নদীতে বিলীন হয়ে যেতো। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে আগে চারশ কোটি, আরো একশ কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে। 

এভাবে রাঙ্গুনিয়ার প্রতিটি আনাচে কানাচে উন্নয়ন হয়েছে; একই সাথে আমরা আমাদের সরকার সাধারন মানুষের জন্য কাজ করছে। 

প্রতিটি ইউনিয়নে নান ধরনের উপকারভোগী রয়েছে, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, অন্যান্য ইউনিয়নে উপকারভোগীর সংখ্যা ৩ হাজার থেকে ৫০০০,এই ইউনিয়নে রয়েছে ৪৭০০ জন।

নানা ধরনের ভাতা সরকার জনগনকে ফ্রী তে দিচ্ছে।

শেখ হাসিনা আমাদের সরকার মেয়েদের কে মোবাইলে টাকা দিচ্ছে। এগুলো কে করছে? শেখ হাসিনার সরকার নৌকা মার্কার সরকার আমাদের সরকার।

তারপর ঈদ আসলে কোরবানী আসলে পূজো আসলে ফ্রী তে চাউল, ভিজিএফ, ভিজিডি, ফেয়ার প্রাইজ কার্ড দিচ্ছে, এগুলো আগে ছিল? এগুলো আমাদের সরকার দিচ্ছে।

জানুয়ারীর ১ তারিখ নতুন বই দিচ্ছে আমাদের সরকার,  চৌদ্দ বছর ধরে ফ্রী তে বই দিচ্ছে।

এত কাজ করার পরও আমরা কি ভোট পাবোনা?

হাশেম খালে ৫ কোটি টাকার ব্রিজ করেছি।

এমন কোন স্কুল কলেজ মাদরাসা প্রাইমারী স্কুল নাই নতুন ভবন পায় নাই।

মসজিদ মন্দির কেয়াং করেছি, হিন্দু ও বৌদ্ধ কল্যান ট্রাস্ট থেকে আলাদা অনুদান দিয়েছি।

আমার ফ্যমিলি এনএনকে ফাউন্ডেশন থেকে ২৪ টা নতুন মসজিদ করেছি যার সর্বনিম্ন খরচ ৩২ লাখ টাকা।

আগেও তো মন্ত্রী ছিল ডাবল মন্ত্রী, জন্মের সময়ও তো মন্ত্রী ছিল, কেউ কোন মসজিদ করেছে দেখিয়ে দিন, কোন কাজ করেছে দেখিয়ে দিন।

আমরা এতগুলো কাজ করে আমরা চাই ৭ তারিখ নৌকায় একটা একটা ভোট দিবেন। 

আমি আর একটি কথা বলতে চাই পার্টির নাম বেঁচে কেউ চাঁদাবাজি করলে কোন প্রশ্রয় দিই নাই। আগেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছি এখনও নিচ্ছি।

আপনাদের দোয়া চাই, আশির্বাদ চাই আর নৌকা মার্কায় একটা একটা ভোট চাই।

চন্দ্রঘোনা জিয়া মার্কেট পথসভায় উপস্থিত ছিলেন চট্রগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান সিকদার, ইদ্রিছ আজগর চেয়ারম্যান, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, আবদুল মোনাফ সিকদার, আবদুল মান্নান চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার চৌধুরী, উত্তরজেলা কৃষকলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো হারুন সওদাগর,  সাধারন জালাল উদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ, আবু নাছের, ইলিয়াছ কাঞ্চন চৌধুরী, ফোরকান তালুকদার, ফোরকান সিকদার, হাছান সিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ইস্তেকাফ আলম শাদিল, মোজাম্মেল হক মোজাম, মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, আওয়ামীলীগ নেতা  মন্জুর হেসেন মন্জু, মীর মো মহিউদ্দিন, মো নাসির উদ্দিন সহ উত্তর জেলা, উপজেলাসহ স্থানীয়  আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীর গণসংযোগে যোগ দেন।

এর আগে তিনি স্থানীয় রাহাতিয়া দরবারে মাজার জিয়ারত করেন।

তথ্যমন্ত্রী এ দিন মরিয়মনগর গাজী রশিদিয়া পাড়া, আমিরিয়াকুলাল পাড়া, পাঁচবাড়ি, সোনালী ব্যাংক চত্বর, বালুগোট্টা, চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের কাটাখালী, কদমতলী, বনগ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি চালান এবং স্থানে স্থানে পথসভায় বক্তব্য দেন।

আরও খবর: