জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ২৯ জুন ২০২৫ , ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মতিঝিল থানা এলাকায় ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দার মিজানসহ দুই জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গত (২৬ জুন ২০২৫) বৃহস্পতিবার, আনুমানিক দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় তারা খলিল ও রিফাত নামে দুইজন একটি স্কুটিতে করে ঢাকা নবাবপুর হইতে সততা কর্পোরেশন নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নগদ ৩০,০০,০০০/- (ত্রিশ লক্ষ) টাকা মতিঝিল সিটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য রওনা হয়।
এসময় দুপুর ১২:৪৫ ঘটিকায় মতিঝিল থানাধীন মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকাস্থ ঘরোয়া হোটেলের সামনে পৌছা মাত্রই ৬/৭ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে গতিরোধ করিয়া তাদের সন্দেহজনকভাবে আটক করে এবং ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-৯৮১৭ ডিবি লেখা একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তাদের উঠিয়ে নিয়ে তাদের চোখ বেধে ফেলে। উক্ত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা গাড়ীর মধ্যে – ভাগিনা খলিলকে তাদের সাথে থাকা পিস্তলের পিছন দিয়ে মুখমন্ডলে আঘাত করলে নাকে হাড়ভাঙ্গা গুরুতর কী। রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়াও ভাগিনা মোঃ খলিল মিয়া (২৬) ও ভাতিজা ইব্রাহীম হোসেন রিফাত (২৪)-কে এলোপাতরিভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর ও লিলাফোলা জখম করে। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা – তাদেরকে অপহরণ করিয়া মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক তাদের কাছে থাকা কাপড়ের ব্যাগ হতে নগদ ৩০,০০,০০০/- (ত্রিশ লক্ষ) টাকা ছিনিয়ে নেয়। অজ্ঞাতনামা ডাকাতেরা ঢাকার সীমানা অতিক্রম করে নারায়ণগঞ্জ জেলার সাইনবোর্ড বাসস্ট্যান্ড নামক এলাকায় গিয়ে ভিকটিমদ্বয়কে হাত বাঁধা অবস্থায় একটি ময়লার ডাস্টবিনের পাশে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাইনবোর্ড প্রো-অ্যাকটিভহাসপাতালে নিয়ে যায়। যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে মামলা হলে মতিঝিল থানা পুলিশ গত (২৮ জুন ২০২৫) অত্র মামলায় ব্যবহৃত একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস ঢাকা-মেট্রো-চ-১৯-৯৮১৭ সহকারে ১০:০৫ ঘটিকায় আসামী ১। মোঃ শামিম রহমান (২৯) কে মতিঝিল থানাধীন শাপলা চত্তর এলাকা হইতে আটক করি এবং তার দেয় তথ্য মতে ঝালকাঠি জেলাধীন রাজাপুর থানাধীন সাংগর এলাকা হইতে আসামী ২। মোঃ মিজান রহমান (৫১) কে গত (২৮জুন২০২৫)সকাল ৮:৪০ ঘটিকায় আটক করে এবং তার দেখানো মতে তাহার বোনের আলমরি হইতে আসামী মোঃ মিজান রহমান এর হেফাজত হইতে ভিকটিমদের নিকট হইতে লুণ্ঠনকৃত অর্থের মধ্যে নগদ ৮০,০০০/- (আশি হাজার) টাকা উদ্ধার পূর্বক জব্দতালিকা মোতাবেক জব্দ করে। উক্ত আসামীদ্বয় ছিনতাই, দস্যুতা ও ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। উক্ত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবত মতিঝিল থানা এলাকাসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানায় ছিনতাই, দস্যুতা ও ডাকাতি সংঘটিত করে বলিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে আসামীদ্বয় ঢাকা মহানগরীর এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ভাসমান থাকে। আসামী মিজানের নামে একাধিক ডাকাতি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।


















