দেশজুড়ে

ভোলার লালমোহনে যুবলীগ নেতাদের উপর পৃথক সন্ত্রাসী হামলায় আহত দুই

  জাগোকন্ঠ ১৩ জুলাই ২০২২ , ১:৪১ অপরাহ্ণ

ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় লালমোহন উত্তর বাজারে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে গত ৯ই জুলাই, ২০২২ ইং রোজ শনিবার সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে লালমোহন যুবলীগ নেতা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম টিটন প্রকাশ্যে হামলার হন। লোহার রড, লোহার পাইপ ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মামুন (পিতাঃ অলি আড়ৎদার), বশার (পিতাঃ মালেক , আমিনুল (পিতাঃ নুরুজ্জামান) ও জিয়াউল হক (পিতাঃ মজিবুল হক মাষ্টার) হামলা করেন।

জিয়াউল হক প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে বাকিরা রড, হকিস্টিক ও বিশেষ কায়দায় তৈরি পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মেড়ে চলে যান । হামলার শিকার যুবলীগ নেতা টিটন হাতে ও পায়ে গুরুতর জখম হন। প্রথমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। গুরুতর আহত যুবলীগ নেতা টিটন বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অপর দিকে একই দিনে বিকাল সাড়ে তিনটার সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একই সন্ত্রাসী গ্রুপ লালমোহন উত্তর বাজারের বিশিষ্ট মাংস ব্যবসায়ী পৌর ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত সোলেমান হাওলাদারের পুত্র মিজান হাওলাদারের উপর একই কায়দায় হামলা করে মারাত্মকভাবে আহত করে ও তার মাংসের দোকান থেকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাংস বিক্রির ২লাখ করে লুট করে নিয়ে যায় এবং গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে যায়। এরপর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে মিজান হাওলাদার ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মিজান হাওলাদারের ডান পায়ের হাড় ভেংগে যাওয়ার কারণে অপারেশন করতে হবে বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন এমন ঘটনার লালমোহন যুবলীগের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।