জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ২৬ মে ২০২৫ , ৫:০১ পূর্বাহ্ণ
মো.মোকলেস খান:
সাভার থানাধিন কাউন্দিয়া ইউনিয়নের নয়াবাজার এবং মেলারটেক গ্রামের দুই কিশোর গ্যাং এর আধিপত্ত বিস্তারের জন্য উভয় পক্ষের ৬ জন আহত ও ২ জন আশংকা জনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে।
গতকাল রাত দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে ,মেলারটেক গ্রামের এলাকাবাসীর মতে ,পাহাড়িয়া বাড়ি ওয়াক ওয়েতে প্রথমে নয়াবাজার এলাকার কিশোর গ্যাং দুজন এসে জাহাংগীর এর বড় ছেলেকে চড় থাপ্পর দিয়ে চলে যায়,এর পর মিলিয়ে দেবার কথা বলে তাদেরকে ফোন করে ডেকে আনে।
নয়াবাজারের কিশোর গ্যাং ২ জনের সঙ্গে আরো ১৫/১৬ জন সাথে নিয়ে এসে পাহাড়িয়া বাড়ির ওয়াক ওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা মেলারটেকের গ্রামের ৬ জনকে আচমকা ছুরিকাঘাত করে । এরা হচ্ছে জাহাংগীর এর ২ ছেলে ১।মোঃ দীপু (১৭) ২।মোঃ সীজান (১৬), মোঃ আরজান ভান্ডারীর ছেলে ৩।মোঃআদিল ভান্ডারী (১৭), মোঃরাজু এর ছেলে ৪। মোঃতন্ময় মিয়া (১৭), একই বয়সের আরো ২ জন নাম জানা যায়নি এরা সবাই শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি ।
ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায়, কিশোর গ্যাং নয়াবাজারের গ্রুপ এসে মেলারটেক গ্রামের কিশোর গ্যাং এর উপর আচমকা ছুরিকাঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাবার সময় ১৩/১৪ জন পালিয়ে গেলেও ২ জন জনতার হাতে ধরা খেলে গনধোলাই দেয়ার সময় পুলিশ এসে উদ্বার করে হাসপাতালে পাঠান ১ জন আসাবুদ্দীনের ছেলে মোঃরিফাত (১৭)মোঃআবু তালেব মেম্বার এর ছেলে মোঃ আকাশ (১৭) তবে মোঃ রিফাত ও মোঃ দীপু এর অবস্থা আশংকা জনক।
এ ব্যাপারে ফাড়ি ইনচার্জ মোঃআব্দুর রহিম কে ফোন করে জানা যায়,আমি ৯৯৯ এর মাধমে সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌছে রক্তাত অবস্থায় ৬ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়, উভয় পক্ষের মামলার প্রস্ততি চলছে।
উল্লেখ্য গত সপ্তাহেও পাহাড়িয়া বাড়ির ওয়াক ওয়েতে একই কিশোর গ্যাং এর সংগে হিজলা গ্রামের কিশোর গ্যাং দের সাথে হাতাহাতি হয়।পরবর্তীতে ফাড়ি ইনচার্জ আব্দুর রহিম এর সহযোগিতায় সমধান করা হয়।
এভাবে কিশোর গ্যাং এর অত্যাচার এলাকায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এখনই এদেরকে আইনের আওতায় না আনলে যে কোন সময় খুনের মত কান্ড ঘটে যেতে পারে।এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষন করছে এলাকাবাসী।
সা/মো/আই

















