জাতীয়

শাক-সবজি, মাছ-মাংস দুই বাজারেই অস্বস্তি

  জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ

চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করে কিছুটা নিশ্চিন্তে থাকতে চান। যে কারণে শুক্রবার এলেই ধুম পড়ে মাছ-মাংস আর শাকসবজি কেনার। শুক্রবারকেন্দ্রীক বাজারে আসা মানুষের এই চাহিদাকে ঘিরে সবজি-তরকারির পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে মাছ ও মুরগির মাংসের দাম। তবে গরু-খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডা ও রামপুরা এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এমন দামের বিষয়ে অকপটে স্বীকার করছেন বিক্রেতারাও।

dhakapost

গরুর মাংস আগের মতোই ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে খাসির মাংস ৯০০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাহমুদ হাসান নামের এক বেসরকারি চাকরিজীবী ঢাকা পোস্টকে বলেন, বাজারে সবকিছুরই দাম বেশি। মুরগির দামটা একটু কমেছিল, কিন্তু আজকে দেখলাম আবারও বেড়ে গেছে। মাছের দামও বাড়তি।

dhakapost

ডিআইটি প্রজেক্টের মাংস বিক্রেতা মো. মনির হোসেন বলেন, মাংসের বাজার-দর দীর্ঘদিন ধরেই স্থিতিশীল। বর্তমানে ৭০০ টাকার নিচে কোথাও গরুর মাংস নেই। কেউ কেউ এর চেয়ে বেশিও বিক্রি করে। কিন্তু আমি এই দামেই অনেকদিন বিক্রি করি।

বিক্রির অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। এতো দামে খুব কম লোকই মাংস কেনে। এদিকে গরুর খাবারের দাম বেড়েছে। কিন্তু আমরা তো মাংসের দাম বাড়াতে পারছি না। সবাই বলে যে টাকা নেই। তাহলে দাম বাড়লে মানুষ কীভাবে কিনবে?

মুরগির মাংসের দাম প্রসঙ্গে মো. ওয়াসিম নামের এক বিক্রেতা বলেন, ব্রয়লার মুরগি আজকে বিক্রি করছি ১৬০ টাকা কেজি, কারণ আমাদের পাইকারি কিনেই আনতে হয়েছে ১৪৫-১৫০ টাকা কেজি করে। এর সঙ্গে যোগ হয় পরিবহন খরচ। এমনকি আনতে গিয়ে সব সময় ২/৪ টা মুরগি মরে যায়। সবমিলিয়ে একটু বেশি দামেই আমাদেরকে বিক্রি করতে হচ্ছে।