ক্যাম্পাস

নানা আয়োজনে ইবিতে ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম ডে পালিত

  জাগো কন্ঠ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৮:১১ পূর্বাহ্ণ

ওয়াসিফুর রহমান, ইবি:

‘টেকসই উন্নয়নে পর্যটন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা সহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৫ পালিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবন থেকে দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধর্মীয়, আদিবাসী ও ট্যুরিজমের চাকরির ক্ষেত্র ভিত্তিক পোশাক পরিধান করে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, রঙ-বেরঙ এর বেলুন নিয়ে র‍্যালিতে অংশ নেয়।

র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলাম জুয়েল, প্রভাষক মো ইয়ামিন মাসুম, প্রভাষক মো: নাছির মিয়া সহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আমাদের চারদিনব্যাপী একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূজা উপলক্ষে ছুটি শুরু হওয়ায় আপাতত এসব কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় চালু হলে কর্মসূচিগুলো আবার অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও বলেন, ট্যুরিজম শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যম নয়, বরং এর সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও গভীরভাবে জড়িত। বিশেষ করে যে অঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে ওঠে, সেখানে মানুষের মানসিকতা ও জীবনযাত্রার মানে পরিবর্তন আসে। পর্যটন খাতকে বলা হয় বহুগুণ কর্মসংস্থানের উৎস, কারণ একজন পর্যটক সরাসরি বা পরোক্ষভাবে অন্তত ১০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। এ কারণেই পর্যটন আজ বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম বড় খাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমরা টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে এ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করবো।

উপাচার্য অধ্যাপক ড নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, একসময় বাংলাদেশে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি উন্নত ছিল না, বর্তমানে সাস্টেইনেবিলিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট কন্সেপ্ট বাস্তবায়নের পর দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপার্টমেন্ট চালু হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি ইবির ট্যুরিজম বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিবিএ এমবিএ শেষ করে একই ফিল্ডে কাজ করবে এবং দেশের ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রিকে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী পর্যটনের প্রচার ও প্রসারে ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএন ট্যুরিস্ট’ ঘোষিত এ দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যথাযথ মর্যাদায় উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে।

আরও খবর: