দেশজুড়ে

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

  জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ , ৭:১৭ অপরাহ্ণ

ইবি প্রতিনিধি: খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্র সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়ামোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে সমবেত হয়।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সন্ত্রাস, একসাথে চলে না; লীগ গেছে যে পথে, দল যাবে সেই পথে; আদু ভাইয়ের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে, আদু ভাইয়ের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না, টেম্পু না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা; চাঁদাবাজি না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা; হৈ রৈ রৈ, ছাত্রদল গেলি কই; ছাত্রদলের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট একশান; ছাত্রদলের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। এতে ইবি সমন্বয়ক ছাড়াও সহ-সমন্বয়ক নাহিদ হাসান, ইয়াশিরুল কবীর সৌরভ, সায়েম আহমেদ, ইসমাইল হোসেন রাহাত এবং প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে সহ-সমন্বয়ক ইসমাইল হোসেন রাহাত বলেন, আজকে তারা দিল্লিতে বসে থাকলেও তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। আজকে কুয়েটে যে হামলা হয়েছে সেই হামলা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও হতে পারে। আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো পরিচয় নাই, তারা সন্ত্রাসী। অতিদ্রুত এদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তাদের কোনো ছাত্রত্ব থাকতে পারে না।

এসময় সহ-সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, শেখ হাসিনা সরকার থাকাকালীন অন্য কেউ আন্দোলন করতে না পারলেও আমরা তার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলাম। আজ, পাখা গজানো কেউ যদি এই ধরনের হামলার চেষ্টা করে ছাত্র সমাজ ছেড়ে দিবে না। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদ চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশকে সংস্কার করার, ঠিক তার বিপরীতে একদল লোক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। উপদেষ্টা পরিষদের কাজে যদি বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হয় এবং দেশের ক্যাম্পাস সমূহে কারো গায়ে হাত তোলা হয় আমরা ছাত্রসমাজ দল-মত নির্বিশেষে প্রতিহত করবো ইনশা-আল্লাহ।

ইবি সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে যখন সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ হামলা করে তখন আমরা বলেছি সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ। এখন যদি সেই সন্ত্রাস ছাত্রদল হয় তাহলে আমার বলতে কোন আপত্তি নেই সন্ত্রাসী ছাত্রদল। অন্তর্বর্তীকাল সরকারের উপদেষ্টারা যখন দেশ সংস্কারে নিরলস পরিশ্রম করছে তখন আপনাদের এই কর্মসূচি মাধ্যমে আপনারা পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পুনর্বাসনকে কয়েক ধাপে এগিয়ে দিচ্ছেন কিনা সেই প্রশ্ন রেখে গেলাম। অনেকেই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে জিজ্ঞেস করে যে আমরা কারা। আমরা তাদের বলে দিতে চাই আমরা ঈদের পরে আন্দোলন করার মানুষ না। আমরা ১৬-১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা কে সরিয়ে দেওয়া ছাত্রজনতা।

আরও খবর: