জাগোকন্ঠ ১৫ মার্চ ২০২৩ , ৫:১৭ অপরাহ্ণ
মাহাবুব তালুকদার:
শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ ও জাজিরায় বজ্রপাতে রেমিট্যান্স যোদ্ধা সৌদিআরব প্রবাসী মোঃ নাদিম মুন্সী (২৫) ও আনোয়ারা বেগম (৫৫) এবং সিফাত মোল্যা (২১) সহ তিন জনের মৃত্যু ও সুরা মনি (১.৫) গুরুতর আহত হবার সংবাদ পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৫ মার্চ) সাড়ে ১২ টার সময় ভেদরগঞ্জের ছয়গাঁও ইউনিয়ন এঁর ৬নং ওয়ার্ডের নাজিমপুর গ্রামের বড়ভাঙ্গা ব্রিজের সামনে প্রবাসী ও মহিষার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের উত্তর মহিষারের গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
প্রবাসী নাদিম মুন্সী নাজিমপুর গ্রামের রতন মুন্সীর ছেলে ও গৃহবধূ আনোয়ারা বেগম ঐ এলাকার বাসিন্দা মোসলেম মালের স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানান, প্রবাসী বুধবার দুপুরে মাছের ঘেরের খাদ্যে (ফিড) নিয়ে যাওয়ার সময় বৃষ্টিপাতের সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা ও তার বাবা ও ভাই তাকে উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে গৃহবধূ আনোয়ারা আকাশে মেঘ দেখে গরু গোয়ালে নিয়ে আসার সময় বর্জপাতে তিনি ও তাঁর সাথে থাকা গরুটিও মারা যায়।
মহিষার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী অরুন হাওলাদার ও ছয়গাঁও ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদ আবুল হোসেন মাঝী ও জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে এ প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বজ্রপাতে নিহত হওয়া সিফাত মোল্লা (২১) জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ওমরউদ্দিন মাদবর কান্দির জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে। এছাড়া আহত হওয়া একই ইউনিয়নের বাসিন্দা কাচারি কান্দি গ্রামের সেলিম শেখ এঁর মেয়ে সুরা মনি (১.৫) নামের শিশুর অবস্থা গুরুতর।
নিহিত কৃষক সিফাত মোল্ল্যার খালা সেলিনা আক্তার জানান, সিফাত ফসলি জমিতে কাজ করছিলো। হঠাৎ বজ্রপাত হলে সে মারা যায়। অন্যদিকে গুরুতর আহত শিশু সুরা মনির খালা পলি আক্তার জানান, সুরা মনি তার মা তানজিলার কোলে ছিলো। হঠাৎ বজ্রপাতের বিকট শব্দে ভয়ে সুরা মনি খিচুনি দিতে থাকে।
ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই তাদের উভয়কে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিফাত মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন ও সুরা মনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।













