জাগো কণ্ঠ ডেস্ক ২ মার্চ ২০২৫ , ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
“মাহে রমজানের আগমন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা বার্তা”
মাহতাব চৌধুরী, নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
# “সিয়ামের ঘ্রাণ এসে
জ্বেলে দেয় আলো
মুছে দেয় কালো সব
বিনিময়ে ভালো!”
শত প্রতিক্ষা,সহস্র আশার আলো নিয়ে ক্ষুদ্র মানব জীবনে প্রতি বছর একবার করে ফিরে আসে স্রষ্ঠার সান্নিধ্য লাভের অবারিত সুযোগ নিয়ে আসে মাহে রমাদান। পঙ্কিলতাপূর্ণ ভূ-ধরায় পাপে পিষ্ট হয়ে অচলায়তন অবস্থা থেকে মুক্তির মাস রমাদান মাস। এই রমাদানে পৃথিবীর বুকে নেমে আসে মহান রবের পক্ষ থেকে অবারিত রহমত,রারাকাহ এবং নাজাতের সু সংবাদ।
সমগ্র পৃথিবী জুড়ে বিশ্বাসীগণ এই মহা সুযোগ লুফে নিয়ে ইহকাল এবং পরকালের মুক্তি লাভের আশায় এই মাহে রমাদানকে অভ্যর্থণা জানায় সানন্দে-সাগ্রহে। বছরের বাকি এগারো মাস হেলায়-খেলায় কেটে গেলেও অন্তত এই মাসটার যেনো পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করা যায় তার প্রচেষ্টার কমতি থাকেনা কারো।
মু’মিন জীবনে বসন্তের সময় হিসেবে পরিচিত এই রমজান মাস। সার্বক্ষণিক ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্য ব্যতিব্যস্ত সময় কাটে সকল মু’মিনের।রমাদান মাসের ৩ টি দশকে থাকে ভিন্ন তিনটি বিষয়ে স্রষ্টার কাছে নিবেদন করার বেশী সুযোগ। রহমত,বরকত,নাজাতের সম্মিলন মু’মিন জীবনে এই মাসটির সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব বহন করে।
শুধু মু’মিন নয় বরং সারা পৃথিবীর কোলজুড়ে যত মুসলিম রয়েছে প্রত্যকেই যেনো এই মাসের যথাযথ হক্ব আদায় করার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মু’মিন হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেই পার্থণা জানাই আমাদের ভালোবাস,অভিযোগ-অনুযোগ জানানোর একমাত্র আশ্রয়স্থল মহান রবের সমীপে।
কুরআন নাজিলের মাসে কুরআন এর আলোকে সারা পৃথিবী যেনো সাজানোর প্রচেষ্টায় শামিল থেকে বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত হযরত মোহাম্মদ ﷺ অনুসরণ করার প্রচেষ্টা সবার চালানো উচিত।
মুক্তির মাস,রহমতের মাস মাহে রমাদানকে প্রান ভরে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন সহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলমানদের জীবনে শান্তির স্থিরতা নেমে আসুক এই বারাকাতপূর্ণ মাসের অসিলায় সেই প্রার্থণাই থাকবে মহামহীম রবের দরবারে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন পরবর্তী বাংলাদেশের প্রান্ত থেকে প্রথম রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানাই..
“আহলান,সাহলান।মাহে রমাদান!”
(মাহমুদুল হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক শিক্ষার্থী নোবিপ্রবি)
# মাহে রমাদান আমাদের জীবনে এক অনন্য বরকতময় সময়। এই মাস আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাতের বার্তা নিয়ে আসে। রমাদানের আগমনে হৃদয়ে এক ধরনের প্রশান্তি ও আত্মার পরিশুদ্ধির অনুভূতি জাগে। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে যেমন আত্মশুদ্ধির সুযোগ পাওয়া যায়, তেমনি ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অপূর্ব সুযোগ মিলে।
এই মাসে রোজা, তারাবি, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা এবং সৎকর্মে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে নিয়োজিত করার মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে। শয়তানের বাঁধন বন্ধ থাকায় পাপ থেকে দূরে থাকা সহজ হয়। তাওবার দরজা উন্মুক্ত থাকে, আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য তাঁর অসীম দয়া ও ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেন।
রমাদানের আগমনে তাই মনে হয়, যেন আল্লাহ আমাদের প্রতি বিশেষ এক দয়া ও অনুগ্রহ করছেন। আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষণ যেন এই পবিত্র মাসের শিক্ষাকে ধারণ করে, সেই প্রার্থনা রইল।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রমাদান যথাযথভাবে পালনের তাওফিক দান করুন এবং তাঁর নৈকট্য অর্জনের সুযোগ করে দিন—আমিন।
(মোহাম্মদ রবিউল হোসেন সাজ্জাদ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নোবিপ্রবি-১৯)
# একদা স্বপ্ন পূরন করতে বাড়ি ত্যাগ করলাম। এখন উপলব্ধি করে দেখলাম বাড়ি যাওয়াটাই বড় স্বপ্ন। গত কয়েক বছর পরিবার ছাড়াই সেহরি, ইফতারি করতে হচ্ছে। বাড়িতে থাকতে মোবাইলে এলার্ম দেওয়া লাগতো না, মায়ের ডাকেই ঘুম থেকে উঠতাম সেহরি খেতে। এখন মোবাইলের এলার্মে ঘুম ভাঙ্গে। প্রথম প্রথম কষ্ট হতো মায়ের ডাক ছাড়া ভোররাতে উঠতে। কিন্তু আস্তে আস্তে উভ্যাস হয়ে গেছে। উভ্যাস হয়েছে কিনা জানিনা হয়তো বাস্তবতাকে মেনে নিতে হয়েছে, মেনে নিতে হবে।
রমজান আসে আমাদের আত্মশুদ্ধির জন্য। পবিত্র রমজান মাসে আমাদের আত্মশুদ্ধি হোক পরিপূর্ণভাবে। সবাইকে রমাদান মোবারক।
(রাকিব হোসেন, সমাজবিজ্ঞান, নোবিপ্রবি-১৯)
# প্রথমেই মাহে রমাদানের আগাম শুভেচ্ছা।
আল্লাহ আমাদের জীবনে আরও একটি বার সুযোগ করে দিয়েছেন মাহে রমাদান পালন করার।আমাদের গুনাহ মোচনের সর্বোত্তম মাস হলো রমজান।তাই চলুন এই রমজানে নিজেকে পবিত্র করে নেই।আত্মশুদ্ধি,আত্মনিয়ন্ত্রণ,পবিত্রতা রক্ষা,সংযম হোক আমাদের লক্ষ্য।
অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকি । পরিশেষে রমাদান কাটুক সুস্থতার সাথে পরিবারের সাথে প্রিয় মানুষের সাথে।
(জেবুন্নাহার জেবু, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নোবিপ্রবি- ১৯)














