জাগো কন্ঠ ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজধানীর জুরাইন আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে ঘুষ লেনদেন এখন ওপেন সিক্রেট। অফিসে কর্মকর্তার চেয়ারে বসে অনৈতিক সুবিধা দিতে ডিলারদের নিকট থেকে প্রতিদিন মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ করছেন অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন। আর এ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে খায় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছেছে। এ এ ব্যাপারে অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেনকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মত একজন মানুষের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ঘুষ নেওয়ার সাহস করে কি করে। আমি অফিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই ডিলারদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেই।
আমারে মাপ কইরা দেন।
আনোয়ার আরও বলেন, আমি এআরও ডি১ শহিদুল স্যারের সহযোগী হিসেবে কাজ করি। আপনারা স্যারের সঙ্গে কথা বলুন।
এ ব্যাপারে জানতে এআরও ডি১ শহিদুলকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এ ব্যাপারে ঢাকা রেশনিং সহকারী নিয়ন্ত্রক সাব্বির আহমেদ মুরাদ বলেন, আপনার একটা লিখিত অভিযোগ দেন এবং স্যারের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আপনারা ছোটখাটো এসব কর্মচারী না ধরে বড় গুলারে ধরেন।
এ ব্যাপারে জানতে ঢাকা রেশনিং কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আলমকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বন্ধ হবে ঢাকা রেসনিং কার্যালয়ের ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ বলে মনে করেন সচেতন মহল।















