প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 22, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 22, 2026 ইং
পরমাণু প্রকল্পের সরঞ্জাম দুর্গম পিকাক্স পর্বতে স্থানান্তর করছে ইরান

ইস্ফাহান, নাতাঞ্জ এবং ফার্দো শহরে পরমাণু প্রকল্প বা কর্মসূচি সংক্রান্ত যত যন্ত্র, যন্ত্রাংশ ও পরিবহনযোগ্য উপকরণ ছিল, সেগুলো সব পিকাক্স পবর্ততের পাদদেশে ভূপৃষ্ঠের ৩০০ ফুট গভীরে গোপন গবেষণাগারে স্থানান্তর করা শুরু করেছে ইরান।
পারমাণবিক বোমার অপরিহার্য উপাদান সেন্ট্রিফিউজ। গতকাল এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, ইতোমধ্যে কয়েক হাজার সেন্ট্রিফিউজ এবং অন্যান্য যন্ত্র-যন্ত্রাংশ সেই গোপন গবেষণাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ওয়ালি স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাত শেষ হওয়ার পর এই নাতাঞ্জ শহরের কাছে অবস্থিত পাথুরে এই পর্বতের পাদদেশে এই গবেষণাগারটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকার। ডিসেম্বরের মধ্যে সেই কাজ শেষ হয় এবং পরমাণু প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামগুলো ইস্ফাহান, নাতাঞ্জ এবং ফার্দো থেকে স্থান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
যেখানে এই গবেষণাগারটি তৈরি করা হয়েছে, তার ওপরে পিকাস্ক পর্বতের ৩০০ ফুট পুরু কঠিন গ্রানাইট শিলার স্তর রয়েছে। ফলে শক্তিশালী বিস্ফোরকও এই গবেষণাগার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে না।
জাতিসংঘের পরামাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ পরিষদ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সির (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানান, ২০২১ সালে তেহরান একবার বলেছিল যে তারা পরমানু প্রকল্পের কাজ পিকাক্স পর্বতের দিকে স্থানান্তর করতে চায়; কিন্তু তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে ইরান কোনো তথ্য জাতিসংঘকে জানায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পিকাক্স পর্বতে মার্কিন বাহিনী হামলা চলাতে পারে। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, “যুক্তরাষ্ট্র খুব সম্ভবত পিকাক্স পর্বতকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করবে।”
তবে তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আর বিস্তারিত কোনো কিছু বলেননি তিনি।
এই ওয়েবসাইটের সকল ছবি ও ভিডিও অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার করা নিষেধ। উক্ত নিউজ পোর্টালটির নিবন্ধন কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।