কোভিড-১৯

করোনা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  জাগোকণ্ঠ ডেস্ক ৭ এপ্রিল ২০২২ , ১২:৫৫ অপরাহ্ণ

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, পৃথিবীর স্বাস্থ্য যদি ভালো থাকে, তাহলে মানুষসহ সব প্রাণীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। আমরা পৃথিবীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাই। পৃথিবীর উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। মাটি, পানি, বাতাস নষ্ট হচ্ছে।

জীবন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপরে। জীবন নির্ভর করে মাটির ওপরে। এই পৃথিবী আমাদের থাকার জায়গা এবং খাবার দিয়েছে। পৃথিবী আমাদের বায়ু এবং পানি দিচ্ছে। আমাদের দায়িত্ব এগুলো নষ্ট না করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা। এগুলো নষ্ট করলে আমরা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বেশি দূষণ করে না। বড় বড় দূষণকারী দেশ হচ্ছে আমেরিকা, রাশিয়া, চায়না এবং ইন্ডিয়া। এসব দেশ সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণ করে থাকে। বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণ কম হয়। কিন্তু পরিবেশ দূষণের প্রভাব বাংলাদেশের ওপর অনেক বেশি পড়ে।

যদি পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকে তাহলে বাংলাদেশের ২০ শতাংশ জায়গা পানির নিচে চলে যাবে। লবণাক্ততা বেড়ে যাবে। বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ বাড়বে। একই সঙ্গে দারিদ্রতাও বেড়ে যাবে। তখন দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হবে। সুতরাং পৃথিবীর স্বাস্থ্য ভালো রাখা আমাদের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বুড়িগঙ্গা এবং তুরাগ নদীর পানি কালো হয়ে গেছে। পানি দেখে মনে হয় তাতে পিচঢালা হয়েছে। ঢাকা শহরে কিছুদিন যাবত ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। কলেরা দেখা দিয়েছে। এটা পানি দূষণের কারণে হয়েছে, খাবার থেকেও হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, করোনা ব্যবস্থাপনায় আমরা বিশ্বে রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী করোনা হ্যান্ডলিংয়ের রোল মডেল। পাশের দেশে করোনায় ৫ লক্ষ লোক মারা গিয়েছে। আমাদের এখানে মাত্র ২৯ হাজার লোক মারা গিয়েছে, যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম। করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ায় আমরা বিশ্বের ৮ নম্বর অবস্থানে রয়েছি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য) কাজী জেবুন্নেছা বেগম। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. শাহাদত হোসেন মাহমুদ।