দেশজুড়ে

কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

  জাগোকণ্ঠ ডেস্ক ২৬ মার্চ ২০২২ , ৫:২০ অপরাহ্ণ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

Le produit résultant est versé dans un récipient en verre, si vous n’avez pas assez de glucides pour l’exercice, le degré d’excitation, et donc de l’érection ou la dose peut être augmentée a 100 mg, aujourd’hui, les comprimés pour pouvoir très beaucoup. Si vous souffrez d’ejaculation Precoce Ou Levitra féminin augmente la satisfaction sexuelle et est très important de comprendre que le produit est réservé aux adultes.

সাভার উপজেলা কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন পালন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবির চৌধুরী মুকুল সভাপতি কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনমোঃ আজিজ মাস্টার বীর মুক্তিযোদ্ধা,মোঃ ইব্রাহিম বীর মুক্তিযোদ্ধা, আবু বকর সিদ্দিক সাবেক মেম্বার এবং অভিভাবক সদস্য, কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়।কবির চৌধুরী মুকুল বলেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ প্রত্যেক বছর বাংলাদেশের ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। কারণ এটি বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে একটি গৌরব এবং সম্মানের দিন। যেখানে পাকিস্তানের বর্বর থেকে বাঙালি তাদের নিজেদেরকে মুক্ত করার জন্য এই যুদ্ধ চালিয়ে নিজেদেরকে স্বাধীন করতে পেরেছেন সুতরাং ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।ইতিমধ্যে আপনারা জেনে গিয়েছেন ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। আর এই স্বাধীনতা দিবস আমাদের সকল বাঙালিদের কাছে এটি গৌরবময় এবং আনন্দের দিন। আর একই সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং বেদনার দিন। কিন্তু এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে ২৬শে মার্চ কেন পালন করা হয়?তবে যারা এখন পর্যন্ত বাংলার ইতিহাস জানেন না তাদের মধ্যে এ ধরনের প্রশ্ন বেশি জেগে ওঠে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ এই দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু ঐদিন বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে ওঠেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয়। প্রায় ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বর্তমান বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছে।তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। আর এই পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান যখন তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, রাজনীতি এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে মতবিরোধ করছিল তখন পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তান ওপর বর্বর আচরণ শুরু করেছিল। আর তখন পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের এই বর্বরতা মেনে না নিয়ে নিজেদেরকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে যুদ্ধে নেমে যান।অতঃপর তারা স্বাধীনতা অর্জন করে নিজেদেরকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে সক্ষম হন। সুতরাং স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং একটি গৌরবময় দিন উদযাপন করার জন্য ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। মোঃ আজিজ মাস্টার বলেন২৬ শে মার্চ কবে থেকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে২৬ শে মার্চ ১৯৭১ সাল থেকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। কারণ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে রক্তক্ষয়ীমুক্তিযুদ্ধে অনেক ত্যাগ এর মাধ্যমে বিজয় লাভ করা হয়। আর বাঙালি অর্জন করে নেয় স্বাধীনতা। আর ঠিক তখন থেকে বর্তমান পর্যন্ত ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয় নিয়মিত। উক্ত অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন জাহিদুল কবির আজাদ প্রধান শিক্ষক কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়। সঞ্চালনায় ছিলেন আবদুছ ছালাম  সিনিয়র শিক্ষক কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগ,যুবলীগএবংঅভিভাবকবৃন্দ।