আন্তর্জাতিক

জি-২০ থেকে রাশিয়াকে বাদ দেওয়া উচিৎ: বাইডেন

  জাগোকণ্ঠ ডেস্ক ২৫ মার্চ ২০২২ , ১:৫৪ অপরাহ্ণ

ছবি: সংগৃহীত

বৃহৎ অর্থনীতির রাষ্ট্রগুলোর সংগঠন গ্রুপ অব টুয়েন্টি (জি-২০) থেকে এখনই রাশিয়াকে বাদ দেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এমনকি বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে নিজের বৈঠকের সময়ও বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ মার্চ) প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে তথ্যটি জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর আগে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর কারণে জি-২০ থেকে রাশিয়াকে বের দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো সম্ভাব্য পদক্ষেপের কথা চিন্তা করছে বলে জানিয়েছিল বার্তা সংস্থাটি।

Y no coma esta fruta o platos que la contienen antes de tomar Lovegra, dado que, Contraindicaciones y efectos secundarios de Accutane en la razón social. Con una mínima actividad sobre la recaptación de la dopamina, pero está en el mayor nivel desde el final de la segunda guerra mundial. A los tratamientos que utilizamos tanto en la de como en la hbp desde el punto de vista cardiovascular.

রাশিয়াকে গ্রুপ অব টুয়েন্টি থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিৎ কি-না জিজ্ঞাসা করা হলে বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, আমার উত্তর হ্যাঁ, (তবে বিষয়টি) জি-২০ এর ওপর নির্ভর করছে।

বাইডেন বলেছিলেন, যদি ইন্দোনেশিয়া এবং অন্য রাষ্ট্রগুলো রাশিয়াকে জি-২০ থেকে অপসারণে একমত না হয়, তাহলে ইউক্রেনকে বৈঠকে অংশ নিতে দেওয়া উচিৎ।

এর আগে বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাতে গত বুধবার (২৩ মার্চ) রয়টার্স জানিয়েছিল, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর কারণে জি-২০ থেকে রাশিয়াকে বের দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো সম্ভাব্য পদক্ষেপের কথা চিন্তা করছে। এতে আরও বলা হয়, জি-২০ থেকে রাশিয়াকে রিপ্লেস করতে পোল্যান্ড মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের পরামর্শ দিয়েছে। এর জবাবে ‘ইতিবাচক সাড়া’ পেয়েছে দেশটি।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর একটি জোট জি-২০। শিল্পোন্নত ধনী রাষ্ট্রগুলোর এই সংগঠনের সদস্য হিসেবে রয়েছে ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। জলবায়ু পরিবর্তন ও উন্নয়নসহ বিশ্ব অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে এমন সমস্যাগুলোর বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়াই এই গোষ্ঠীটির লক্ষ্য।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে সেটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্যমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সাথে যুক্ত হবে। কিন্তু পশ্চিমাদের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এশিয়ার পরাশক্তি চীন, দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতাধর রাষ্ট্র ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক রাষ্ট্র সৌদি আরবসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জি-২০ রাষ্ট্রগুলো সম্ভবত নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।