ঢাকা   শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

  ডাক্তারের অবহেলায় প্রসুতী মা ও নবাগত শিশুর মৃত্যু !জাগোকণ্ঠ

   জাগোকণ্ঠ, ডেস্ক



প্রকাশিতঃ ২৫ আগাস্ট ২০২১, ০২:১৬ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক্তারের অবহেলায় প্রসুতী মা ও নবাগত শিশুর মৃত্যু হয়, নাছরিন মমো সোমবার (২৩ আগস্ট) বিকালে প্রসব বেদনা উঠলে মিরপুর ১০ এ অবস্থিত আলোক হাসপাতালে ভর্তি  হন। নাছরিন মমো আগে থেকেই চিকৎসা নিতেন গাইনী বিভাগের ডাঃ টি.এইচ.জোহরা মুনমুনের নিকট ৮ মাসের অন্তসত্তা রোগীকে নরমাল ডেলিভারি করানোর জন্য ইনজেকশন পুশ করেন তিনি এরপর আর কােন খবর নেই তার।

পরবর্তীতে কোন নার্স বা ডাক্তারের উপস্থিতি ছাড়াই অর্ধেক ডেলিভারি সম্পন্ন হয় বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নিহতের স্বামী মনিরুজ্জামান মিরন।  তিনি আরও বলেন,এরপরে তড়িঘড়ি করে ডেলিভারি সম্পন্ন করেন ডাঃ জোহরা মুনমুন।  ডেলিভারি সম্পন্ন হওয়ার কিছু সময় পরেই নবাগত শিশুটির মৃত্যু হয়।  ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে অর্ধেক ডেলিভারি হওয়ার কারনে প্রসুতী মায়ের প্রচুর পরিমানে রক্তপাত হয়।  পুরো হাসপাতাল জুড়ে হুরুস্তুল বেঁধে যায়।

দ্বায় এড়াতে প্রসুতী নাছরিন মমোকে দ্রুত রক্ত  দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয় কিন্তু ওই রক্তের গ্রুপ ঠিক থাকলেও ক্রসমেচিং টেষ্ট ছাড়াই নাছরিন মমোর শরীরে পুশ করা হয়েছিলো সেই রক্ত।  যার ফলে এক ঘন্টা অতিবাহিত হতে না হতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন হতভাগী নাছরিন মমো। পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার পায়তারায় লিপ্ত আলোক হাসপাতালের কর্মকর্তারা সবাই। অপরদিকে নিহতের পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দিয়ে যাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এমন তথ্য নিশ্চিত করেন মৃত নাছরিন মমোর স্বামী মনিরুজ্জামান মিরন।

আলোক হাসপাতলের ডিজিএম বলেন,আমিতো নন মেডিকেল তাই মোবাইলে কিছু বলতে পাবো না,ফিজিক্যালি আসেন ডা:জোহরা মুনমুন আছে ওনি সব বুঝিয়ে বলতে পারবেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় মনিরুজ্জামান মিরন ১২ ই, ৭/৪৮ মিরপুর ১২ পল্লবীর একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন।



শেয়ার করুন:


আপনার মন্তব্য লিখুন

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো.আলী মুবিন,
ঠিকানা:৫৫/২,পুরানা পল্টন লেন (৩ তলা) ঢাকা-১০০০ ।
মোবাইল : ০১৬৮-২০৮৩৫০৭, ০১৭২-৪২৫০১২৯
E-mail : jagokantha@gmail.com, newsjagokantha@gmail.com
Developed By Jagokantha
বিঃ দ্রঃ উক্ত অনলাইন নিউজ পোর্টালটির সকল পেপার্সের কার্যদি প্রক্রিয়াধীন আছে।