1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

‘পানি উন্নয়ন বোডর্’-এর আওতাধীন‘হাওর এলাকায় বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন’ প্রকল্পের পরামর্শক ব্যয় বাড়ছে ।জাগোকণ্ঠ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘পানি উন্নয়ন বোডর্’-এর আওতাধীন ‘হাওর এলাকায় বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের পরামর্শক সেবা খাতে ব্যয় বাড়ছে। প্রকল্পটির পরামর্শক হিসেবে জাপানি প্রতিষ্ঠান ‘নিপ্পন কোয়ি কোম্পানি লিমিটেড’-কে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। মূল চুক্তিতে পরামর্শক সেবা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এটি বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ পরামর্শক সেবা বাবদ ব্যয় বাড়ছে ১৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বুধবার অনুষ্ঠেয় ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর প্রস্তাব থেকে জানা যায়, জাপানি দাতাসংস্থা ‘জাইকা’র অর্থায়নে প্রায় ৮ বছর মেয়াদী প্রকল্পটির বাস্তবায়নের কাজ আগামী ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাগাদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৭৩ শতাংশ। প্রকল্পের পরামর্শক সেবা কাজের জন্য ২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল জাপানি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হয়। পরামর্শক সেবার আওতায় রয়েছে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, নকশা প্রণয়ন, সুপারভিশন ও অন্যান্য সম্পর্কিত কাজ।
প্রকল্পের পরামর্শক সেবা ব্যয় বাড়ার কারণ সম্পর্কে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রকল্পটিতে ২৯টি উপ-প্রকল্প (১৪টি নতুন হাওর ও ১৫টি পুনর্বাসন উপ-প্রকল্প) রয়েছে। প্রকল্পের ‘প্রিপারেপরি সার্ভে রিপোর্ট’-এ বলা হয়েছিল যে, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ‘ফোরগোয়িং হাইড্রোলিক স্টাডিজ’ এবং ‘টপোগ্রাফিক হাইড্রোলিক ইনফরমেশন’ হালনাগাদ করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নকালে এসব তথ্য হালনাগাদ করার কারণে প্রকল্পটি পুনঃপর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। কিন্তু পরামর্শক সেবার কাজের মধ্যে প্রকল্প পর্যালোচনার উল্লেখ না-থাকা এবং প্ল্যানিং ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের সুযোগ না-থাকায় একটি উপ-পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় মূল পরামর্শক প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ সংখ্যা বাড়ানো হয়।
ব্যয় বাড়ার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এছাড়া প্রকল্পটি পুন:পর্যালোচনার কারণে আগে সম্পাদিত সমীক্ষায় উল্লেখিত কাঠামোর সংখ্যা বেড়ে যায় এবং নতুন ধরনের হাইড্রোলিক স্ট্রাকচার সংস্থাপন ও খালের দৈর্ঘ্যরে পরিমাণ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ‘ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ’-এর সংখ্যাও বেড়ে যায়।
গত ২০১৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী, পর্যালোচনার পর প্রকল্পের রেগুলেটর সংখ্যা বেড়েছে ১৭টি, কজওয়ে বেড়েছে ৩৫টি, ব্রীজ বেড়েছে ১টি, বক্স ড্রেনেজ আউটলেট বেড়েছে ৪৪টি, ইরিগেশন ইনলেট বেড়েছে ১৩১টি, খাল পুনঃখননের দৈর্ঘ্য বেড়েছে ১১৯ দশমিক ৮০ কিলোমিটার। একমাত্র ভেল্ট নির্মাণ কমেছে ৫৬টি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..