1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি এবং পড়াশুনা চালানো অনিশ্চিত রাবেয়ার,দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী বগুড়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেল দরিদ্র চায়ের দোকানদারের ছেলে কিরন! স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী’র উপর সন্ত্রাসী হামলা! দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৭৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫৮১৯ গাইবান্ধায় ছুরিকাঘাতে সাবেক সেনা সদস্য নিহত ফেনীতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ছুঁই ছুঁই বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক মারা গেছেন খ্যাতিমান লালনশিল্পী ফরিদা পারভীন করোনায় আক্রান্ত স্বনামধন্য গায়ক তপন চৌধুরী প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রেশন বাঁচিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিচ্ছে | জাগোকণ্ঠ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  করোনা মহামারি মোকাবিলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ পরিস্থিতিতে জনগণকে সচেতন করতে পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার চারটি উপজেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ‘সকলের সুস্থতাই আমাদের কাম্য’ স্লোগানকে সামনে রেখে সার্বিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।এরই ধারাবাহিকতায়  রবিবার জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে রামু সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। নিজেদের রেশন বাঁচিয়ে চাল, ডাল, আটা, আলু, পেঁয়াজ, তেল, লবণসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসহায় মানুষের হাতে পৌঁছে দেন।এ সময় বিনা প্রয়োজনে কাউকে ঘর থেকে বের না হওয়ার অনুরোধ করেন সেনা সদস্যরা। পাশাপাশি তারা বেশি বেশি হাত ধোয়, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন।এছাড়া, সেনাবাহিনীর মেডিকেল টিম রামু উপজেলা ও পেকুয়া উপজেলায় অসহায় মানুষদের প্রাথমিক চিকিৎসাসহ স্যালাইন বিতরণের পাশাপাশি ছোটদের জন্য চিপস ও চকলেট বিতরণ করেন।গত ৮ এপ্রিল থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজার লকডাউন ঘোষণার পর থেকে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে সেনাবাহিনী। জেলা শহর ছাড়াও আশেপাশের উপজেলায় টহল কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো। টহলরত সেনা সদস্যরা মানুষের সমাগম দেখলেই গাড়ি থামিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলে বিনা কারণে বের হওয়াদের দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে ঘরে থাকার নির্দেশ দিচ্ছেন।উখিয়া ও টেকনাফ এলাকার ৩৪ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা ভাইরাস সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যরা। সেনা ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা মাঝি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে বৈঠক অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন এনজিও সংস্থাসমূহের মাধ্যমে বার্মিজ ও ইংরেজি ভাষায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি ক্যাম্পসমূহে দিনব্যাপী বার্মিজ এবং ইংরেজি ভাষায় সচেতনতামূলক মাইকিং চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..