1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি এবং পড়াশুনা চালানো অনিশ্চিত রাবেয়ার,দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী বগুড়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেল দরিদ্র চায়ের দোকানদারের ছেলে কিরন! স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী’র উপর সন্ত্রাসী হামলা! দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৭৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫৮১৯ গাইবান্ধায় ছুরিকাঘাতে সাবেক সেনা সদস্য নিহত ফেনীতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ছুঁই ছুঁই বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক মারা গেছেন খ্যাতিমান লালনশিল্পী ফরিদা পারভীন করোনায় আক্রান্ত স্বনামধন্য গায়ক তপন চৌধুরী প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত

  ফরিদগঞ্জে এন জি ও কর্মীদের দৌরাত্বে দিশেহারা ঋণগ্রহীতারা

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
মো: আ:কাদির  (চাঁদপুর)ফরিদগঞ্জ  প্রতিনিধি:
দেশে চলমান করোনা মহামারিতে নানা পেশার শ্রমজীবী থেকে শুরু করে সাধারন ব্যবসায়ী ও দিনমজুর মানুষের মধ্যে চলছে এক প্রকার অভাবের হাহাকার। সাধারণ মানুষের হাতে যে জমানো মূলধন ছিল তা অনেক আগেই শেষ হয়েগেছে। করোনাকালীন লকডাউন শেষ হলেও পূর্বের সেই কাজের মত আয় না থাকায় অনেকটা  সমস্যাগ্রস্থ স্বল্প আয়ের  মানুষ।

এরই মধ্যে যেসব মানুষের কিস্তি রয়েছে তাদেরকে প্রতিনিহীত চাপ দিচ্ছে, গালিগালাজ করছে, হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদগঞ্জের পৌরসভা, গল্লাক, শ্রীকালিয়া, সুবিদপুর, কামতা, আষ্টাসহ প্রায় গ্রামেই গ্রাহকের অভিযোগ  এন জি ওর বিরুদ্ধে। এরা হলেন, ,সাজেদা ফাউন্ডেশণ ,  চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার সমবায় সমিতি ,এস এস এস, সি এস,

এসব  এন জি ওর  কর্মীরা প্রতিনিহিত কিস্তির টাকার জন্য গ্রাহকদের মোবাইলে হুমকি, বাড়িতে গিয়ে ঘরে গালিগালাজ, সারাদিন থেকে শুরু করে রাতের শেষভাগ পর্যন্ত ঋণগ্রহীতার ঘরে অবস্থান করে টাকা আদায়ের জন্য ।

চলতি বছরের ২৩ জুন ২য় বারের মত সরকারের মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অর্থরিটির নির্বাহী পরিচালক লক্ষন চন্দ্র দেবনার্থ এর এক সাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করেন , চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত কোন ব্যাংক বা এন জি ও গ্রাহকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক কিস্তি  আদায় করতে পারবেনা । কেউ যদি স-ইচ্ছায় দিতে সম্মত হয়, তাহলে কেবল নেওয়ার অনুমতি আছে।

সরকারের নির্দশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে  এন জি ও  এবং স্থাণীয়  সমবায় সমিতির মাঠ কর্মীরা গ্রাহকদেরকে হয়রানি করে আসছে। তাদের বাড়িতে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে বিরক্ত ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে আসছে। তাদের ভয়ে করোনাকালীন সময়ে কয়েকটা কিস্তি দিলেও এক দুই কিস্তির টাকার পুনরায় জমে গেলে চলে তাদের উপর মানুষিক অত্যাচার।

এসব প্রসঙ্গে সুবিদপুর মুন্সী বাড়ির দেলোয়ার হোসেন, একই গ্রামের জাকির হোসেন ও নুসরাত জাহান সুমী, গল্লাক বাজারের লিঠন কুরী, আলী হোসেন, আষ্টা বাজারের বাবলুসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো প্রায় ১৫/২০ জন গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, এ অঞ্চলে সাজেদা ফাউন্ডেশন ও ব্র্যাক এন জি ও এবং শিক্ষিত বেকার সমবায় সমিতির মাঠ কর্মীরা প্রতিনিহিত কিস্তির টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে। টাকার জন্য বিভিন্ন খারাপ ভাষায় গালিগালাজ থেকে শুরু করে হুমকি, উঠিয়ে নিয়ে যাবে, ঘর বিক্রি করবে।

গ্রাহকরা আরো বলেন, করোনার এ সময়টা খুবই খারাপ যাচ্ছে, তেমন কোন কাজ নেই, ব্যবসায় কোন উন্নতি নেই, হাতে কোন টাকা নেই। এদিকে কেউ নতুন কোন ঋণ না দেওয়ায় আয়ের পথ বাহির করার সুযোগ পাচ্ছি না।

এ বিষয়ে সাজেদা ফাউন্ডেশনের ফিল্ড অফিসার রতন মিয়া বলেন, নির্দশনা এখন কার্যকর নেই, যে কারনে আমাদের শতভাগ কিস্তি আদায় করতে হচ্ছে। গ্রাহকদের সাথে আমরা কেন খারাপ আচরণ করবো, টাকা পাই তা চাওয়াটা কোন অপরাধ নয়।

ReplyForward

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..