দেশজুড়ে

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাক্ষাৎ পাওয়া দায়

  জাগোকন্ঠ ৯ এপ্রিল ২০২৪ , ৮:০২ পূর্বাহ্ণ

দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি :

ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকেও সাক্ষাৎ পাওয়া যায় না দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্সের । এতে সেবা নিতে আসা মানুষের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে । স্ট্যান রিলিজ চাইছেন ভোক্তভোগীরা ।

ইউএনও শেখ জাহিদ হাসান এর আগে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। অফিসিয়াল আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে সেখান থেকে বদলি হয়ে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় আসেন । এখানেও তিনি নিয়মিত আচরণবিধি লংঘন করে যাচ্ছেন।
যা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে । ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা সরকারি চাকুরিজীবী হওয়ায় কেউ কিছু বলে না। অথচ সবার ভিতরে সৃষ্টি হয়েছে মৌন দ্বন্দ্ব।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছু একাধিক ব্যাক্তির অভিযোগ ইউএনও দুপুর ১২ টা ছাড়া কখনো অফিসে আসেননা । এতে দাপ্তরিক হয়রানির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হয়রানি শেষ নেই । কিন্তু ভয়ে কেউ কিছু বলার সাহস পায়না।

অফিস কক্ষের দরজার দুইপাশে দুই আনসার দাঁড় করিয়ে রেখে দরজা বন্ধ করে অফিস করেন ইউএনও শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স। সাধারণ মানুষ ইউএনও মহোদয়ের সাথে দেখা করতে গেলে আনসাররা খারাপ ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেয় ।

বেলতলী বাজারে এমদাদুল মিয়া বলেন, আমার দোকানের উপর একটি সরকারি গাছ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। যেকোনো সময় ভেঙ্গে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দোকানের সমস্ত মালামাল সরিয়ে রাখা হয়েছে । ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে আসছি । উপজেলার সমন্বয় মিটিংয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এরপর গাছটি অপসারনের লিখিত আবেদনে উপজেলা চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করেছেন। কিন্তু গত তিন মাস থেকে ইউএনও শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্সের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও স্বাক্ষর নিতে পারিনি । পূর্বের কোন ইউএনও দেওয়ানগঞ্জে এসে দরজা বন্ধ করে, দরজার বাইরে দুই আনসার বাহিনী বসিয়ে রেখে অফিস করেননি।

ভুক্তভোগীরা আরো বলেন, সাধারণ মানুষের সাথে ইউএনও যেহেতু দেখা করেনা। তার উচিত সরকারি চাকরি ছেড়ে বেসরকারি চাকরি বা ব্যবসা করা । এসব আচরণবিধির লঙ্ঘনের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবগতি করে হস্তক্ষেপ কামনা করবেন বলেও মন্তব্য করেন ।

আরও খবর: