দেশজুড়ে

তালতলীতে পাঁচ মাসের অন্তসত্ত্বা গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ

  জাগোকন্ঠ ৩ জুলাই ২০২২ , ৪:৪৮ অপরাহ্ণ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

তালতলী উপজেলার গাবতলী আবাসনের পাঁচ মাসের অন্তসত্ত্বা এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাত ৯ টার দিকে একই গ্রামের মৃত্যু আলী আকব্বর কাজীর ছেলে লম্পট বারেক কাজী ঘরে ঢুকে জোর ধর্ষণ শেষে মারধর করেছে। মেয়ের ডাক চিৎকার শুনে ওই গৃহবধুর মা বাহির থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে। পরে নব নিবার্চিত ইউপি সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম মোল্লা লোকজন নিয়ে তালা ভেঙ্গে ধর্ষক বারেক কাজীকে নিয়ে যায়। ৯৯৯ ফোনে খবর পেয়ে তালতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গৃহবধূকে উদ্ধার করে রাতেই বরগুনা জেলার হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জানাগেছে, গাবতলী গ্রামের লম্পট বারেক কাজী দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধুকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে। গত বুধবার ওই গৃহবধু বাবার বাড়ীতে বেড়াতে আসেন। শনিবার রাতে সুযোগ বুঝে লম্পট বারেক কাজী পাঁচ মাসের অন্তসত্ত্বা গৃহবধুকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে। ওই গৃহবধুর ডাক চিৎকার শুনে মা বাহির থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে নব নিবার্চিত ইউপি সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম মোল্লা ও তার লোকজন এসে তালা ভেঙ্গে ওই গৃহবধুকে এলোপাথারি মারধর করে বারেক কাজীকে নিয়ে যায়। পরে ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই গৃহবধুকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

গৃহবধু বলেন, লম্পট বারেক কাজী দীর্ঘদিন আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে। আমি তার প্রস্তাবে রাজি হয়নি। সুযোগ বুঝে শনিবার রাতে বারেক কাজী আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ শেষে মারধর করেছে। আমি পাঁচ মাসের অন্তসত্ত্বা। আমি এর বিচার চাই।

গৃহবধুর মা বলেন, মেয়ের ডাক চিৎকার শুনে আমি বাহির থেকে ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে দেই। ইউপি সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম মোল্লা ও তার লোকজন এসে ঘরের তালা ভেঙ্গে আমার মেয়েকে মারধর করে বারেক কাজীকে নিয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

তালতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন অপু বলেন, রাতে ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই গৃহবধুকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও খবর: