1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

খালেদার মুক্তির মেয়াদ বাড়লো |জাগোকণ্ঠ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিজেস্ব প্রতিবেদক: দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ফের আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে বলেন, আমাদের মতামত আমরা দিয়েছি। উনার (খালেদা জিয়া) সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। তবে তিনি বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন না। বিদেশে যেতে হলে আদালতের অনুমতি লাগবে। শর্ত হচ্ছে, তিনি আগে যে শর্তে ছিলেন অর্থাৎ বাসায় থাকবেন এবং দেশে চিকিৎসা নেবেন।

এ দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সমকালকে বলেন, খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো সুপারিশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়ার আগের শর্তে আইন মন্ত্রণালয় থেকে মতামত দেওয়া হয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদনটি পাঠানো হবে। তিনি যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন সেভাবে তা কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আবেদনটি পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ তিনি এখনও কিছু জানেন না। এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে পরে জানাবেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সমকালকে বলেন, সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে পরিবারের করা আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। আশাকরি তার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারেও সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সমকালকে বলেন, আমি যতদুর শুনেছি, খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তার মানে, আগের শর্ত বহাল থাকলো।

জানা গেছে, আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের মধ্যে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার কোনো মতামত দেওয়া হয়নি। খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয় স্থায়ী মুক্তির আবেদন বিবেচনা করেনি।

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। তার দণ্ডের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হলে তিনি কারামুক্ত হন। ওই মুক্তির মেয়াদ আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।

তার আগেই বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ভাই শামীম এস্কেন্দার গত ২৫ আগষ্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেন। তাতে তার অসুস্থ বোনের কারামুক্তির পদক্ষেপ নিতে সরকারকে অনুরোধ জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..