1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

দাম কমেছে এলপিজি গ্যাসের |জাগোকণ্ঠ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০

জাগোকণ্ঠ ডেস্ক :

সরকারি এলপিজির গ্যাসের সিলিন্ডার ৬০০ টাকায় পাওয়া যাবে ১২ কেজি ওজনের। সরকারি এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) বিপণন কোম্পানি বোতল প্রতি এক’শ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুব শিগগিরই গেজেট প্রকাশিত হবে বলে জানা গেছে।

যদিও বিশাল পরিমাণ চাহিদার বিপরীতে সরকারি এলপিজি উৎপাদন হয় খুবই সামান্য। দেশের এলপিজির যে চাহিদা তার মাত্র দুই শতাংশ উৎপাদন করে সরকারি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই এলপিজির দাম কমানো সংক্রান্ত এক বৈঠক হয় বিপিসির কার্যালয়ে।

সেখানে আগে থেকেই কমিটির করা সুপারিশ বাস্তবায়নে সর্বোসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। আর্ন্তজাতিক বাজারে এলপিজির উপকরণের দাম কমেছে আমরাও দাম কমিয়েছি। যাতে মানুষ সুফল পায়।

বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে এলপি গ্যাসের ব্যবহার। আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় এলপি গ্যাসেই বিকল্প ভরসা হয়ে উঠেছে। জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে দেশে এলপিজি ব্যবহৃত হয়েছে ৪৪ হাজার ৯৭৪ মেট্রিক টন।

৯ বছরের ব্যবধানে এই চাহিদা ৭ লাখ ১৩ হাজার মে. টন ছাড়িয়ে গেছে। যার মধ্যে মাত্র বছরে ২০ হাজার টন উৎপাদন সক্ষম সরকারি এলপিজি কোম্পানির। ২০৪১ সালে এলপিজির চাহিদা ৮০ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মুহা শের আলী বলেন, গত ১০ বছরে ব্যাপক আকারে এলপিজির ব্যবহার বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি হারে (৯২ শতাংশ) বেড়েছে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে। আর গড় ৩৫ শতাংশ হারে বেড়েছে এলপিজি ব্যবহার।

বর্তমানে বাংলাদেশে গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে গ্যাসের উপজাত কনডেনসেট থেকে এলপিজি উৎপাদন করা হচ্ছে।

‘একই সঙ্গে মহেশখালীতে এলপিজি প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অদূর ভবিষতে সেটা বাস্তবায়ন হলে সরকারি এলপিজির উৎপাদন সরবরাহ অনেক বাড়বে।’

অভিযোগ রয়েছে গ্রাহক বা এজেন্টরা চাইলেও সরকারি এলপিজি সিল্ডিন্ডার খুব সহজে পায় না। ফলে বেসরকারি এলপিজির দখলে দেশের বাজার। আবাসিক গ্যাস সংযোগ বন্ধ এবং সরকারি উৎপাদন স্বল্পতায় বেসরকারি এলপিজি কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে ব্যবসা করার।

আবাসিকখাতে পাইপলাইনে গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হলেও এলপিজির বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার।

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ১২ ও সাড়ে ১২ কেজি ওজনের এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। খোজ নিয়ে জানা গেছে, এখনো দেশে বেসরকারি ১২ কেজির এলপি সিলিন্ডার স্থানভেদে ৭৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানায়, মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নীতিমালা প্রণীত হয়নি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কয়েকবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি।

তবে গ্রাহকদের স্বার্থে এবং এলপিজি ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি। তাই প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো এলপিজিরও মূল্য নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

জাগোকণ্ঠ/ডি/ম

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..