1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন

এনআইবি’তে স্যাঙ্গার পদ্ধতিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসের সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় |জাগোকণ্ঠ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের মহামারী রোধে প্রয়োজনীয় গবেষণা কার্যক্রম যেমন, ঝঅজঝ-ঈড়ঠ-২ ভাইরাসের সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় এবং কোভিড-১৯ রোগ নির্ণয়ের কিট উদ্ভাবন সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববাসীকে অবহিত করার অংশ হিসাবে বুধবার (১৯মে) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি’র মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ’র পরিচালনায় প্রস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যের শুরুতে সারা বিশ্ববাসীর অপরিমেয় দূর্ভোগের কথা স্মরণ করে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করার আহবান জানান ড. মো. সলিমুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারীর কার্যকর মোকাবিলার অংশ হিসাবে দেশে এ সংক্রান্ত গবেষণা যেমন, ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় অত্যন্ত জরুরী। বাংলাদেশ থেকে ইতোমধ্যে বেসরকারিভাবে যে দুটি প্রতিষ্ঠান এ ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করেছে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা যে এনআইবির উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্স এড়ষফ ংঃধহফধৎফ সবঃযড়ফ ‘ঝধহমবৎ উরফবড়ীু সবঃযড়ফ’ এ করা। এ পদ্ধতিতে নির্ণীত জিনোম সিকোয়েন্স প্রায় শতভাগ নির্ভুল। এনআইবি তে ঘবীঃ মবহবৎধঃরড়হ ংবয়ঁবহপরহম করার যন্ত্র না থাকলেও ভবিষ্যতে এনআইবি অন্যান্য বসবৎমরহম ফরংবধংব নিয়ে গবেষণা করবে বলে প্রত্যাশা করি’।

মহাপরিচালক বলেন, ‘১ টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আরো ৭ টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে প্রতীয়মান হয়েছে যে এনআইবি’র সিকোয়েন্সকৃত জিনোম ইউএসএ, স্পেন এবং ইতালি এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এনআইবিতে প্রাপ্ত সিকোয়েন্সে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে এবং অধিকতর এনালাইসিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
এ পর্যায়ে তিনি ঈঙঠওউ-১৯ রোগ নির্ণয়ের সেবা প্রদানের প্রস্তুতির পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম খরচে কোভিড-১৯ রোগ সনাক্তকরণে চঈজ নধংবফ কিট উদ্ভাবনে এনআইবি’র গবেষকদল কাজ করছেন। এ পর্যায়ে পরীক্ষাকৃত ৭ টি নমুনায় আমাদের উদ্ভাবিত কিট এর শতভাগ সাফল্য পাওয়া গেছে। অধিক সংখ্যক নমুনায় পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে এ কিট নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হব।’

তিনি আরও জানান, ‘বৈশ্বিক মহামারির পরপরই উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীগণ করোনা ভাইরাস নিয়ে কাজ শুরু করে এবং ভাইরাসের গঠনের উপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য কয়েকটি প্রতিষেধকের মডেল তৈরি করে যা প্রকাশনার জন্য বিশ্বখ্যাত জার্নাল ‘নেচার’ এ রিভিঊ পর্যায়ে আছে।’

এনআইবির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ’র নেতৃত্বে কাজটি সম্পন্ন করেন কেশব চন্দ্র দাস, মোঃ মনিরুজ্জামান, মো. হাদিসুর রহমান, ইরফান আহমেদ, মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন, মোঃ নজরুল ইসলাম, তাহিয়া আনান রহমান ডাঃ রুহুল আমিন, ডাঃ আসিফ রাশেদ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. চমন আরা কেয়া ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অরিত্র ভট্টাচার্য।

এ পুরো প্রক্রিয়ায় এনআইবি’র গবেষকবৃন্দের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নমুনা সংগ্রহে সেন্টার ফর মেডিকেল বায়োটেকনোলজি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মুগদা মেডিকেল কলেজের দুইজন ডাক্তারের ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান ড. মো. সলিমুল্লাহ । এসময় তিনি গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..