1. mdmobinali112@gmail.com : admin2020 :
  2. mdalimobin112@gmail.com : Ali Mobin : Ali Mobin
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি এবং পড়াশুনা চালানো অনিশ্চিত রাবেয়ার,দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী বগুড়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেল দরিদ্র চায়ের দোকানদারের ছেলে কিরন! স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী’র উপর সন্ত্রাসী হামলা! দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৭৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫৮১৯ গাইবান্ধায় ছুরিকাঘাতে সাবেক সেনা সদস্য নিহত ফেনীতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ছুঁই ছুঁই বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক মারা গেছেন খ্যাতিমান লালনশিল্পী ফরিদা পারভীন করোনায় আক্রান্ত স্বনামধন্য গায়ক তপন চৌধুরী প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত

আবরার হত্যা: অভিযোগ গঠন ১৫ সেপ্টেম্বর ।জাগোকণ্ঠ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিজেস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৫ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য ১৫ সেপ্টম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত।

বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ গঠনের শেষ শুনানিতে অংশ গ্রহণ করেন। আদালত অভিযোগ গঠনের জন্য ১৫ সেপ্টম্বর দিন ধার্য করেন।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে তার কক্ষ থেকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় একই বিশ^বিদ্যলয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন ।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদি হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভূক্ত ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, আসামি মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভূক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..